শিরোনাম
◈ আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার  ভ্যালেন্টিন কাস্তেলানোসকে দলে নি‌লো ওয়েস্ট হ্যাম ◈ আসন ভাগাভাগি নিয়ে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি জোটের টানাপোড়েন   ◈ বিশ্বকা‌পে বাংলাদেশের ম্যাচের টিকিট বিক্রি চলছে ভার‌তে ◈ মুস্তাফিজের অসম্মান বিসিবির কা‌ছে গ্রহণ‌যোগ‌্য নয়, আমরা মর্মাহত : বুলবুল ◈ নির্বাচনী মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগ, গাড়ির ওপর দাঁড়িয়েই বক্তব্য দিলেন রুমিন ফারহানা ◈ সেন্ট মার্টিনে মাছ উধাও, ঝাঁকে ঝাঁকে জেলিফিশের উপস্থিতি: সামুদ্রিক ভারসাম্যের বিপর্যয় নিয়ে শঙ্কায় গবেষকরা ◈ ৮ ম্যাচ খে‌লে ৬‌টি‌তে হার, কোচকে বিদায় ◈ প্রধান কোচ আমোরিমকে বরখাস্ত করলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ◈ ভারত যেতে নারাজ বিসিবি: বিশ্বকাপ খেলতে ‘রাজি করাতে’ নতুন প্রস্তাব বিসিসিআইয়ের ◈ ২০২৬ সালের সরস্বতী পূজা ও আশুরাসহ বেশ কিছু ছুটি বাতিলের খবর ভুয়া: প্রেস উইং

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৪২ সকাল
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মাননা পুরস্কার জিতলেন ঠেলা গাড়ী চালকের মেয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] শনিবার (২১ আগস্ট) ভারতের ক্রীড়া পুরস্কার প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের নাম প্রকাশ করা হয়। যেখানে প্রথম নারী হকি খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের জাতীয় মহিলা হকি দলের অধিনায়ক রানি রামপাল।

[৩] এতো বড় অর্জন এই নারী ক্রীড়াবিদকে মোকাবিলা করতে হয়েছে অনেক বাঁধা। বাবার দারিদ্র্য, আর সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি, সবকিছুকে পেরিয়ে তিনিই এখন ভারতের রত্ন। সম্প্রতি, ভারতীয় গণমাধ্যম দৈনিক আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের লড়াই সংগ্রামের গল্প শুনিয়েছেন রানি রামপাল।

[৪] বাবা ছিলেন একজন ঠেলাগাড়ি চালক। আর পরিবারে ছিলেন তিন ভাই-বোন। তাই বেঁচে থাকাটা খুব একটা সহজ ছিল না।

[৫] এমন এক পরিবার থেকে উঠে এসে ভারতের মতো দেশের জাতীয় হকি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রানি রামপাল। যার বেঁচে থাকাই ছিল দুরূহ, সেই রানি কি-না জিতলেন ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মাননা ‘রাজীব গান্ধী খেলরত্ন’ পুরস্কার।

[৬] লড়াই সংগ্রামের গল্প শুনিয়ে রানি রামপাল বলেন, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে প্রবল সংগ্রামের মাধ্যমে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে হকিই হয়ে উঠেছিল অস্ত্র। এটা স্রেফ খেলা ছিল না, ছিল তার বাঁচার মাধ্যম। নিজের জীবনের গল্প জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘খুব কঠিন দিন গিয়েছে। আমি খুব গরিব ঘর থেকে উঠে এসেছি। বাবা ছিলেন ঠেলাগাড়ির চালক। বেঁচে থাকাটাই ছিল ভেরি ডিফিকাল্ট। তিন ভাই-বোনের সংসার ছিল। ভয়ানক সব দিন দেখেছি।’

[৭] তিনি আরও বলেন, ‘জীবন আমাকে একেবারেই সাজিয়ে দেয়নি কিছু। তবে এটাও ভাবি যে, আমি নিশ্চয়ই আশীর্বাদধন্যা। আমি ব্লেসড যে হকি খেলতে পারি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়