প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৬ বছরেও চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি গ্রেনেড হামলার বিচার

নূর মোহাম্মদ : [২] বিচারিক আদালতের রায়ের পর হাইকোর্ট। তারপর আপিল বিভাগ। সব শেষে রিভিউ আবেদন করার সুযোগ পাবেন আসামিরা। তবে ১৬ বছরেও শেষ হয়নি বিচারিক প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ধাপ। যদিও গত ১৬ আগস্ট বিজি প্রেস থেকে পেপারবুক আসার পর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

[৩] এদিকে মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করার জন্য আবেদন করার কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, এই মামলাটার যাতে বিচার না হয়, আসল আসামিরা যাতে ধরা না পড়ে সে জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছিল। তারেক রহমানের সাজা যাতে বহাল থাকে সে জন্য প্রচেষ্টা থাকবে।

[৪] রাজনৈতিক বিবেচনায় বিচা হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে রাজনৈতিক দল নিশ্চিহ্ন করে ফেলার জন্য এরকম কোনো কাণ্ড করা হয়নি। সাধারণভাবে একটা বাচ্চারও বুঝতে অসুবিধা হয় না, যে অন্য রাজনৈতিক দল করেছে এটা।

[৪] সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান বলেন, ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর তিনি বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন। তিনি জানান, হত্যা মামলায় ১৩ ভলিউমে মোট ৫৮৫টি পেপারবুক এসেছে। এতে মোট আপিল ২২টি এবং জেল আপিল ১২টি। অপরদিকে বিস্ফোরক মামলায় ১১ ভলিউমে মোট ৪৯৫টি পেপারবুক এসেছে। এ মামলায় আপিল ১৭টি ও জেল আপিল ১২টি।

[৫] বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। এতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন মারা যান। আহত হন কয়েক’শ। তবে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। ঘটনার ১৪ বছর পর ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত।

[৬] রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। গত বছরের ১৩ জানুয়ারি দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

 

সর্বাধিক পঠিত