প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ১০ ফুট বাই ৮ ফুট কক্ষে ১৫-২০ জন বন্দি, জায়গা হয় না মেঝেতেও

বাংলা ট্রিবিউন : টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হচ্ছে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত নিবাসী। অবস্থা এমনই যে ১০ ফুট বাই ৮ ফুটের ছোট একটি কক্ষের ভেতরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে সর্বনিম্ন ১৫ জন বন্দি। কখনও এই সংখ্যা হয়েছে সর্বোচ্চ ২৮ জন! গাদাগাদি করে রাতযাপন, একই গোসলখানায় ৪/৫ জন একত্রে গোসল করা, অপরিচ্ছন্ন মেঝেতে থাকায় চুলকানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই কেন্দ্র থেকে সাজা খেটে বের হওয়া একাধিক কিশোরের কাছ থেকে। জায়গা সংকুলান হচ্ছে না এ কথা স্বীকার করেছে এই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষও। তবে চুলকানির মতো রোগের অস্তিত্ব স্বীকার করেননি তারা। কর্তৃপক্ষের দাবি, খুব শিগগিরই বন্দিদের স্থান সংকুলান হয়ে যাবে।

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ও কোনাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুটি উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বালক এবং কোনাবাড়ীতে বালিকাদের নিবাস।

মুক্তি পাওয়া নিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কিশোর উন্নয়ন নিবাসের নানা বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।

সদ্য মুক্তি পাওয়া আরমান (ছদ্মনাম) নামের এক কিশোর জানায়, বিছানাগুলো অপরিষ্কার ছিল। গাদাগাদি করে এক রুমে ১৫/২০ জন থাকতে হতো। ফ্লোরে তোষক, জাজিমের ওপর চাদর বিছিয়ে শুতে হতো। অনেকেরই গায়ে চুলকানি হতো। উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে যে ওষুধ দিতো তা দিয়ে ভালো হতো না। বাসা থেকে ওষুধ নিতে হতো। সিরিয়াল ধরে এক সঙ্গে ৪/৫ জন করে গোসল করতে গিয়ে অনেক সময় লেগে যেতো। তবে কখনও কোনও ধরনের মারামারি হতো না।

স্থানীয় দু’পক্ষের কিশোরদের মধ্যে প্রেমঘটিত ঘটনা নিয়ে ঢাকার একটি এলাকায় গত বছর ঈদুল আজহার আগে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। আদালতের আদেশে ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন কিশোর অভিযুক্ত হলে তাদের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। সেখান থেকে জামিনে মুক্ত হয় রিদয় (১৬) ও সিরাত (১৭) নামের দুই কিশোর (ছদ্মনাম)।

রিদয় জানায়, শিক্ষা, খাদ্য, চিকিৎসা সুবিধা অনেকটাই সীমিত টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতি ফ্লোরে অনেক কক্ষ এবং প্রতিটি কক্ষে অনেকে বসবাস করে। কিন্তু, প্রতিটি ফ্লোরে একটি করে কেরাম বোর্ড দেওয়া আছে। ইচ্ছে করলেই সকলে একসঙ্গে খেলাধুলা করতে পারে না। অনেকে রয়েছে যারা প্রাথমিক শিক্ষা অনেক আগেই শেষ করেছে। কিন্তু তাদের জন্য কারিগরি শিক্ষা ছাড়া সাধারণ শিক্ষার সুযোগ নেই। কোন ঘটনা বা বিষয়গুলো অন্যায় সেগুলো পরামর্শক বা কাউন্সিলররা তাদের মাঝে মধ্যে জানিয়ে থাকেন।

রিদয় (১৬) জানায়, সে বর্তমানে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করছে। একটি কিশোর হত্যা মামলায় পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো হয়। ২০১৯ সালের জুন থেকে ওই বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে ছিল। সে সময় সে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। কিন্তু, উন্নয়ন কেন্দ্রে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করানোর ফলে সে সেখানে জেএসসির প্রস্তুতি নিতে পারেনি।

কেন্দ্রে দুটি লাইব্রেরি, একটা কম্পিউটার রুম ও পাঁচটি ক্লাসরুম ছিল। কম্পিউটার রুমে একাধিক কম্পিউটার ছিল। সবাই কম্পিউটার ব্যবহার জানতো না। যারা জানতো তারাও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে ব্যবহার করতো না।

সে বলে, কঠোর নিয়ম কানুন মানতে হতো সকলকে। নিয়ম ভঙ্গ করলে বা ক্যাপ্টেনদের (সিনিয়র নিবাসী) কথা না মানলে কপালে জুটতো সাজা। সাজা হিসেবে কান ধরে ১শ’ ২শ’ বার উঠবোস করা, এক পায়ের ওপর ১৫ মিনিট, ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। রুটিন অনুযায়ী বাথরুম পরিষ্কারের দায়িত্ব থাকলেও ভুল বা আদেশ অমান্যের জন্য সপ্তাহব্যাপী সাজা হিসেবে বাথরুম পরিষ্কার করতে হতো। তবে কেউ মারধর করতো না। পরিচিত কেউ থাকলে বা একই মামলার কয়েকজন অভিযুক্ত থাকলে সকলকে একসঙ্গে থাকতে ও ঘুরতে দিতো না। এক রুমের নিবাসী অন্য রুমে যেতে পারতো না।

এই কিশোর জানায়, সারাদিন রুমেই বসে থাকতে হতো। দুপুরে খাবার দাবারের পর আধাঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে এক ঘণ্টার জন্য খেলার মাঠে বের হতে দিতো। আর সকালে এক ঘণ্টার মতো ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণ করতে হতো। অ্যাসেম্বলিতে ভালো থাকার শপথ করানো হতো।

টিভি দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে রিদয়। জানায়, একটি মাত্র টিভি রুম। লাইন ধরে বসে টিভি দেখতে হতো। এতে কারও ইচ্ছার প্রাধান্য ছিল না। হাউস ক্যাপ্টেন (বয়সে সিনিয়র নিবাসী) কোনও একটা ছবির চ্যানেল বা বাংলা ছায়াছবির ভিডিও ছেড়ে দিতো। তাই দেখতে হতো। দুপুরের খাবারের পর যে সময়টা খেলার জন্য দিতো সে সময়ে কেউ খেলতে না গেলে তারা টিভি দেখতো। মূলত হাউস ক্যাপ্টেনদের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করতো টিভি বিনোদন ও খেলাধুলার ইভেন্ট।

সবাই একসঙ্গে একদিনে খেলতে যেতে পারতো না। সপ্তাহে একদিন একটা ফ্লোরের নিবাসীরা খেলতে যেতে পারতো। রুটিন অনুযায়ী আবার এক সপ্তাহ পর মাঠে নেমে ভাগ্যে খেলার সুযোগ আসতো।

রিদয়ের থাকার সময় টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে ৯৮১ জন নিবাসী ছিল। মোট পাঁচটি ফ্লোরের প্রতিটি কক্ষে ২৩ থেকে ২৮ জন নিবাসীকে গাদাগাদি করে থাকতে হতো। নিবাসী কমে গেলেও ১৬/১৭ জন করে থাকতে হতো। থাকার কক্ষের আয়তন ছিল আনুমানিক দৈর্ঘ্য ১০ হাত এবং প্রস্থে ৮ হাত। ফ্লোরে তোষকের ওপর চাদর ও বালিশ রেখে একজন আরেকজনের গা ঘেঁষে থাকতে হতো। প্রথমদিকে রাতে ঘুম হতো না। ভীষণ অস্বস্তি হতো। ১৫/২০ দিন পর গায়ের সঙ্গে গা ঘেঁষা থাকলেও বাধ্য হয়েই ঘুমাতে হতো।

সকালে কোনোদিন আলু ভর্তা-ভাত, কোনোদিন ডাল-ভাত নাস্তা খেতে হতো। দুপুরে কোনোদিন ডিম, কোনোদিন মাছ এবং সপ্তাহে একদিন মুরগি বা গরুর মাংস খেতে পারতাম। শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে একজন আমাদের ওষুধ দিতো। প্রথম ১৫/২০ দিন চুলকানি, পেটের পীড়া দেখা দিতো। পরে সব ঠিক হয়ে যেতো।

রিদয় দু’দিন ফজরের নামাজ পড়তে পারেনি। প্রতিদিন ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে ঘুম থেকে উঠে নামাজ বাধ্যতামূলক ছিল। নামাজের বিষয়টি তার কাছে খুব ভালো লেগেছে। সে প্রতিদিন ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ পড়তে পেরেছে যা বাসায় থেকে একদিনও সে পারেনি। যে বিষয়টি খারাপ লাগত তা হল একসঙ্গে ৪/৫ জন একই বাথরুমে গোসল করা। তাও আবার লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল নিতে হতো। কখনও দুই ঘণ্টা, তিন ঘণ্টা সময় লেগে যেত গোসলের সিরিয়াল পেতে। তাই ভোর ৬টা থেকেই গোসলের প্রস্তুতি নিতো।

একটি বাথরুমে ৪/৫জন একসাথে গোসল করতে হত। প্রতি ফ্লোরে পাঁচটি করে বাথরুম। একটি বরাদ্দ থাকত সিনিয়র নিবাসীদের জন্য। এসময় একজনের গায়ের পানি, সাবানের ছিঁটা আরেকজনের গায়ে গিয়ে পড়তো। এ নিয়ে অনেক সময় ঝগড়াঝাঁটি হতো। প্রথম দিকে সবই খারাপ লাগত। পরে দেখা যেতো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে সবই মেনে নিতো নিবাসীরা।

সামাজিক কারণে উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাবা-মা আত্মীয়ের বাড়িতে দেড়মাস থাকতে বলে। দেড়মাস পর বাবা-মার কাছে চলে আসে সে। জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে গণিতে খারাপ করে। এখন আর লেখাপড়া তার ভালো লাগে না। এখন বাসার কাছে একটি কাপড়ের দোকানে মাসিক সাড়ে ৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ করে। প্রতিদিন খাবারের জন্য ১শ’ টাকা দেয়। উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর কেউ সেখান থেকে কোনোদিন তার খোঁজ কেউ নেয়নি। বরং সে নিজে এক উন্নয়ন কেন্দ্রের এক খালার (বুয়া) সঙ্গে কথা বলে তাঁর খোঁজখবর রাখতো। খালা তাকে অনেক আদর করতো বলে জানায় সে।

টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান জানান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ২৫ হাজার ৩শ’ ১৪ জন নিবাসী সেবা পেয়েছে। এর মধ্যে মুক্তি পেয়েছে ২৪ হাজার ৭শ’ ৮২ জন। প্রতি বুধবার গাজীপুরের সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে একজন এমবিবিএস চিকিৎসক রোগী থাকা পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। সার্বক্ষণিক একজন কম্পাউন্ডার থাকেন। নিবাসী ধারণ ক্ষমতা ৩শ’ জনের কিন্তু অবস্থান করছে ৫শ’ ৬১ জন। মাঝে মধ্যে এ সংখ্যা বহুগুণে বেড়ে যায়। ধারণ ক্ষমতার বেশি থাকার কারণে মাঝে মধ্যে গোসল ও থাকার সমস্যা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক আরও জানান, চুলকানি লেগে থাকার অভিযোগটি সঠিক নয়। নিয়মিত কেন্দ্র থেকে ওষুধ দেওয়া হয়। একেক ফ্লোরের নিবাসীদের একেকদিন খেলাধুলার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগটিও সঠিক নয়। নিয়মিত সকল নিবাসীদেরই খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া হয়। ইনডোরে লুডু, দাবা, কেরামবোর্ড খেলার সুযোগ রয়েছে। লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও গাজীপুরের ইতিহাস ঐতিহ্য বন্দিদের জানানো হয়। অক্ষরজ্ঞানহীন নিবাসীদের অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। নতুন ভবনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও আবেদন নিবেদন জানানো হয়নি। তবে যেসব ভবন ব্যবহার হয়নি সেগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে মেরামত কাজ শেষ হবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা)-এর তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারী পরিচালক খোরশেদা আক্তার রোজী জানান, ওই কেন্দ্রে ১৫৪ আসনের বিপরীতে মোট নিবাসী রয়েছে ৮০ জন। তাদেরকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সেলাই, এ্যাম্ব্রয়ডারির মতো কারিগরি শিক্ষাও দেওয়া হয়। গত এক মাস যাবত কম্পিউটার প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। নিবাসীদের ইচ্ছানুযায়ী কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হয়। কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ২২ জন নিবাসী অংশগ্রহণ করছে।

তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য সার্বক্ষণিক একজন নার্স রয়েছেন। নিবাসীদের সাধারণ সমস্যাগুলো নার্স সমাধান করেন। জটিল ও গাইনি সংক্রান্ত সমস্যা হলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত চারদিনে পাঁচজন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে দুজন ছিল প্রেগন্যান্ট।

খাবার ও প্রসাধনী সামগ্রী বাবদ প্রতি নিবাসীর জন্য মাসিক সাড়ে তিন হাজার টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্য থেকেই খাবার-দাবার, প্রসাধনী ইত্যাদির সংকুলান করা হয়। সাপ্তাহিক রুটিন অনুযায়ী মোটামুটি ভালো মানের খাবারের মেন্যু তৈরি করা হয়।

নিবাসে ইউনিসেফের দুজনসহ মোট ৩২ জন স্টাফ রয়েছেন। মাসিক বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত দু’জন স্টাফ রয়েছেন। এছাড়াও সোশ্যাল ওয়ার্কার ও সমাজকর্মীরা রয়েছেন। তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে বিরত রাখার বিষয়ে কাউন্সেলিং করে থাকেন।

তিনি জানান, কালচারাল বিষয়ের জন্য কোনও শিক্ষক নেই। তবে সাধারণ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠের পাশাপাশি কালচারাল, শরীরচর্চা বিষয়ে পাঠদান ও উৎসাহ দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় অ্যাসেম্বলি আয়োজনের মাধ্যমে নিবাসীরা জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে থাকে। প্রত্যেক ফ্লোরে কেরাম বোর্ড রয়েছে। ইনডোর গেমের জন্য প্রতিটি কক্ষেই একটি করে লুডু ও দাবার বোর্ড রয়েছে।

প্রতি কক্ষের আকার অনেকটা ফাঁকা ফাঁকা বা মোটামুটি বড় আকৃতির। একটি কক্ষে চারজন নিবাসী থাকে। মশারি, বিছানাসহ রাত্রিশয্যার প্রয়োজনীয় সুযোগ ও উপকরণ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০০২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মোট নিবাসী ২ হাজার ৮শ’ ৮৮ জন। এর মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত ২ হাজার ৭শ’ ৪৮ জন। বর্তমানে ৮০ জন নিবাসীর মধ্যে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ৮জন, চুরি মামলায় ২ জন, মাদক মামলায় ২জন, নিরাপদ নিবাসী ১১ জন এবং বাকিরা মূলত ভিকটিম।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত