শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালি বন্ধ: বিশ্বে কার কাছে কত তেল মজুত, কারা টিকবে দীর্ঘদিন? ◈ যেভাবে খামেনিকে হত্যার ছক কষেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু: গোপন ফোনালাপ ফাঁস ◈ নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস সম্ভব নয়, মিথ্যা বন্ধ করুন: ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ◈ ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি ◈ হা‌বিবুল বাশার সুমন জাতীয় দ‌লের প্রধান নির্বাচক ◈ ট্রাম্পের আলোচনার দাবি উড়িয়ে দিল ইরান ◈ অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ◈ ২৫ মার্চ কালরাত: এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করবে দেশ ◈ সাভারের কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার সেই ‘সাইকো সম্রাট’ কারাগারে মারা গেছে, শেষ হলো অপরাধ অধ্যায়

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২০, ০২:৩১ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২০, ০২:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শরতের কাশফুলের আদি নিবাস রোমানিয়া

সাজিয়া আক্তার : বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ঋতুর পালাবদলে ভাদ্র-আশ্বিন মাসজুড়েই থাকবে শরৎকাল। এ ঋতু আসেও যেমন চুপিসারে; আবার হারিয়ে যায় বেশ দ্রুতই। শরৎ মানেই নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা এবং পালকের মতো নরম এবং ধবধবে সাদা রঙের কাশফুল ফোটে। বর্ষা ঋতুকে বিদায় জানিয়ে নীল আকাশে সাদা তুলোর মত মেঘের সাথে কাশফুলের মৃদু বাতাসে দোল খাওয়া প্রকৃতিতে শুধুই মুগ্ধতা ছড়ায়।

শরৎ ও কাশফুলের বন্দনা তাই তো কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায়, ‘কাশফুল মনে সাদা শিহরণ জাগায়, মন বলে কত সুন্দর প্রকৃতি, স্রষ্টার কি অপার সৃষ্টি।’ রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন গ্রন্থ ‘কুশজাতক’র কাহিনি অবলম্বন করে ‘শাপমোচন’ নৃত্যনাট্য রচনা করেছেন। কবি জীবনানন্দ দাশ শরৎকে দেখেছেন এভাবে, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর।’ শরতের অপরূপ এই রূপ দেখে মুগ্ধ কবি অবলীলায় পৃথিবীকে আর দেখার প্রয়োজন মনে করেননি।

রোমানিয়ার আদি নিবাসী কাশফুল বেশ প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশে শুভ্রতা ছড়িয়ে আসছে। কাশফুল মূলত ছন গোত্রীয় একধরনের ঘাস। ঘাসজাতীয় উদ্ভিদটি উচ্চতায় সাধারণত ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। গাছটির চিরল পাতার দুই পাশ বেশ ধারালো। নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। তবে নদীর তীরেই এদের বেশি জন্মাতে দেখা যায়।

বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই কাশফুল দেখতে পাওয়া যায়। রাজধানী ঢাকার আশপাশ যেমন দিয়াবাড়ি, ৩০০ ফিট সড়ক, আফতাবনগর, কেরাণীগঞ্জের হযরতপুরের কালিগঙ্গা নদীর তীর, ঢাকা-মাওয়া সড়কের কুচিয়ামারা ও ধলেশ্বরী নদীর তীর, মায়াদ্বীপ ও মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় প্রচুর কাশফুল ফোটে।

কাশফুলের বেশ কিছু ওষধি গুণ রয়েছে। যেমন- পিত্তথলিতে পাথর হলে নিয়মিত গাছের মূলসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে ওষুধ তৈরি করে পান করলে পিত্তথলির পাথর দূর হয়। কাশমূল বেটে চন্দনের মতো নিয়মিত গায়ে মাখলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়। এ ছাড়াও শরীরে ব্যথানাশক ফোঁড়ার চিকিৎসায় কাশের মূল ব্যবহৃত হয়। কাশফুল আগাছা হিসেবে বিবেচিত হলেও শুকনো কাশগাছ খুব কাজের জিনিস। তাই এর বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়