শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি ◈ ইরান যুদ্ধের অভিঘাত: তেলের দামে উল্লম্ফন, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি ◈ ব্যাংকে হামলার পর কড়া বার্তা ইরানের, লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র ◈ আপৎকালীন জ্বালানির জন্য ভারতের কাছে ডিজেল চাওয়া হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী ◈ ‘চতুর্থ উত্তরসূরী’: ইরানের দীর্ঘ যুদ্ধের পরিকল্পনা ◈ দায়িত্বের বাইরে মন্তব্য না করতে মন্ত্রী-এমপিদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দেশ ক্রিকেট বো‌র্ডের নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ◈ রানার আগুনে বোলিং, পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ ◈ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ◈ বিদেশি ঋণে চাপ বাড়ছে: পাওয়ার চেয়ে পরিশোধেই বেশি ব্যয়

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২৩ সকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেখ আদনান ফাহাদ: কেন ভারতে বাংলাদেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আলাপ হয় না?

শেখ আদনান ফাহাদ: প্রদীপ দাসের কী আসলেই ভারতে বাড়ি আছে? আমার পরিচিত অনেকের আছে। শুধু একটু খোঁজ নিন। এদেশে টাকা কামিয়ে ভারতে পাচার করে কারা। দয়া করে পুরো হিন্দু কমিউনিটিকে কেউ গালি দেবেন না। আমার স্যারদের মধ্যে যারা আমার প্রিয় ছিলেন, যাদের দেওয়া শিক্ষায় আমি আজ কিছু করে খেতে পারছি, তারা অনেকেই হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিলেন। অসীম সাহসী রাজনীতিবিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কিন্তু ধর্মের দিক থেকে হিন্দু ছিলেন। আমাদের লিটন দাস, সৌম্য সরকার পুরো দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই ক্রিকেট খেলে। সুতরাং সাম্প্রদায়িক হিন্দু আর মুসলমানরা আমার এ লেখা পড়ে লাফ দিয়ে উঠবেন না।

মুসলমানরা তো নয়ই। কারণ আমরা পাচার করি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ইত্যাদি জায়গায়। এসব জায়গায় হিন্দুরাও করে। কিন্তু ভারতে বাংলাদেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আলাপ হয় না। হওয়া উচিত। আর কতো, যে বন্ধুর সাথে ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হলাম, যে বন্ধু আমাকে বহুবার কিল ঘুষি মেরেছে, একদিন শুনি ওরা সবাই ভারতে চলে গেছে। বড় হয়ে বুঝেছি, এই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি এদের দীর্ঘদিনের। আগে বড় ছেলেকে পাঠিয়েছে। এর পর মেজ ছেলেকে। এই ফাঁকে ছোটটা বড় হয়েছে এবং বাবা যা কামিয়েছেন সব পাচার করেছেন। এখন বুঝি, কেন আমার সেই বন্ধুর বাড়িতে কখনো ভালো খাট, পালঙ্ক, বালিশ, চেয়ার ছিলো না। ছোট ছোট ঘরেই থাকত ওরা। অথচ এখন দেখি ভারতে নিজেদের বহুতল বাড়িতে থাকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বাড়ি আছে কলকাতায়। সে বাড়িতে একরাত আমি থেকেও এসেছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়