শিরোনাম
◈ আমেরিকা নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা: বিশ্বকাপে নামতে পারবে ব্রা‌জিল, কল‌ম্বিয়া ও  মিশর ◈ পোস্টাল ব্যালটে ভোটের জন্য দেশ ও প্রবাসী ১৫ লাখ ভোটারের নিবন্ধন ◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অচলাবস্থা, বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল ◈ সেতু থেকে ১৬ মাসের সন্তানকে ফেলে দিয়ে থানায় মায়ের আত্মসমর্পণ ◈ কঠোর হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের, নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি ◈ কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার,দিলেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ◈ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের গুদামে ◈ চূড়ান্ত হলো নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২৩ সকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেখ আদনান ফাহাদ: কেন ভারতে বাংলাদেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আলাপ হয় না?

শেখ আদনান ফাহাদ: প্রদীপ দাসের কী আসলেই ভারতে বাড়ি আছে? আমার পরিচিত অনেকের আছে। শুধু একটু খোঁজ নিন। এদেশে টাকা কামিয়ে ভারতে পাচার করে কারা। দয়া করে পুরো হিন্দু কমিউনিটিকে কেউ গালি দেবেন না। আমার স্যারদের মধ্যে যারা আমার প্রিয় ছিলেন, যাদের দেওয়া শিক্ষায় আমি আজ কিছু করে খেতে পারছি, তারা অনেকেই হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিলেন। অসীম সাহসী রাজনীতিবিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কিন্তু ধর্মের দিক থেকে হিন্দু ছিলেন। আমাদের লিটন দাস, সৌম্য সরকার পুরো দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই ক্রিকেট খেলে। সুতরাং সাম্প্রদায়িক হিন্দু আর মুসলমানরা আমার এ লেখা পড়ে লাফ দিয়ে উঠবেন না।

মুসলমানরা তো নয়ই। কারণ আমরা পাচার করি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ইত্যাদি জায়গায়। এসব জায়গায় হিন্দুরাও করে। কিন্তু ভারতে বাংলাদেশের সম্পদ পাচার নিয়ে আলাপ হয় না। হওয়া উচিত। আর কতো, যে বন্ধুর সাথে ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হলাম, যে বন্ধু আমাকে বহুবার কিল ঘুষি মেরেছে, একদিন শুনি ওরা সবাই ভারতে চলে গেছে। বড় হয়ে বুঝেছি, এই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি এদের দীর্ঘদিনের। আগে বড় ছেলেকে পাঠিয়েছে। এর পর মেজ ছেলেকে। এই ফাঁকে ছোটটা বড় হয়েছে এবং বাবা যা কামিয়েছেন সব পাচার করেছেন। এখন বুঝি, কেন আমার সেই বন্ধুর বাড়িতে কখনো ভালো খাট, পালঙ্ক, বালিশ, চেয়ার ছিলো না। ছোট ছোট ঘরেই থাকত ওরা। অথচ এখন দেখি ভারতে নিজেদের বহুতল বাড়িতে থাকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বাড়ি আছে কলকাতায়। সে বাড়িতে একরাত আমি থেকেও এসেছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়