প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বৈরুত বন্দরে ২০১৩ থেকে রুশ জাহাজে ছিলো ওই ২৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

আসিফুজ্জামান পৃথিল : [২] লেবাননেন কর্মকর্তারা বৈরুতের বিশাল বিস্ফোরণ সম্পর্কে একটি সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বুধবারই। সেখানে মজুদ ছিলো ওই পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সার। বছরের পর বছর এই দ্রব্যের কোনও দেখাশোনাই করা হয়নি। অথচ স্থানীয় কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছিলেন। সিএনএন

[৩] সিএনএন এর যাচাই করা নথিপত্র বলছে, ২০১৩ সালে একটি রুশ জাহাজে করে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আসে বৈরুতে। এমভি রোসাস নামের জাহাজটি মোজাম্বিক যাচ্ছিলো।

[৪] কিন্তু অর্থনৈতিক সমস্যা আর জাহাজের রুশ আর ইউক্রেনিয় নাবিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়ায় এটি বৈরুতে আটকে যায়। বৈরুতের কাস্টমস পরিচালক বদ্রি দাহার বলেছেন, তিনি বেশ কয়েকবার তার উপরে থাকা ব্যক্তিদের জানিয়েছেন, জেটিতে একটি ভাসমান বোমা পড়ে আছে।

[৫] দাহারের পূর্বসূরী চাফিক মেহরি ২০১৬ সালে এক চিঠিতে লেখেন , আমি বারবার বলছি এটার ঝুঁকি মারাত্মক। বন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি এই পণ্য যেনো সরিয়ে ফেলে বা আবার রপ্তানি করে দেয়। বন্দরের নিরাপত্তার জন্যই আমাদের এটা করতে হবে।

[৬] বুধবার লেবানিজ প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের কথা জানান। তবে এটি যে ভাসমান এক জাহাজে ছিলো তা তখন তিনি বলেননি। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত