প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুয়েতে গত ২ মাসেও ২৭ কোটি টাকার কাজ পান এমপি পাপুল

মিনহাজুল আবেদীন : [২] কুয়েতে আটক বাংলাদেশের সাংসদ শহিদ ইসলামকে (পাপুল) মদদ দেওয়ার পেছনে সেখানকার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন দেশটির তদন্তকারী কর্মকর্তারা। প্রথম আলো

৩] জানা গেছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা গত ২ মাসে তাকে ২৭ কোটি টাকার ৪টি কাজের চুক্তি নবায়নে সহায়তা করেছিলেন। ওই চুক্তিগুলোর আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতার জন্য কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল।

[৪] এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সাংসদের অনৈতিক কাজে মদদ দেওয়ার পেছনে কুয়েতের রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মদদ রয়েছে। যে ৪টি কাজের চুক্তি নবায়ন হয়েছে সেগুলোর আর্থিক পরিমাণ কুয়েতের ১০ লাখ দিনার। আল-কাবাস

[৫] জানা গেছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান শহিদ ইসলামের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়নি। এ মাসের শুরুতে সরকারি ওই প্রতিষ্ঠানটি সরকারি দরপত্রবিষয়ক কর্তৃপক্ষের কাছে শহিদ ইসলামের প্রতিষ্ঠানের কাজের মেয়াদ এ বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। কিন্তু সরকারি দরপত্র কর্তৃপক্ষ ওই সুপারিশের বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন স্থগিত করে দেয়। মানবজমিন

[৬] অন্য এক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ধর্মীয় কর্মকান্ড বিষয়ক কাজে যুক্ত সরকারি একটি প্রতিষ্ঠান শহিদ ইসলামের প্রতিষ্ঠানের জন্য বাড়তি কাজের বরাদ্দ দিয়েছে। কাজের মূল চুক্তিপত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের সাংসদের প্রতিষ্ঠানের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে চুক্তিতে পরিবর্তন আরও একটি প্রতিষ্ঠানের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় শহিদ ইসলামের প্রতিষ্ঠানকে। সংশোধিত চুক্তি অনুযায়ী বাড়তি কাজের জন্য দেওয়া হবে ১৯ কোটি ৮৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বা ৭ লাখ ২০ হাজার দিনার। ওই কাজের চুক্তি এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কালের কণ্ঠ

[৭] সাবেক ও বর্তমান মিলিয়ে কুয়েতের পাঁচ সাংসদ তাকে মদদ দিয়েছেন, এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন। এদের মধ্যে বর্তমান দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে। বনিকবার্তা

[৮] কুয়েতের সংবিধান বিশেষজ্ঞ মোহাম্মেদ আল ফিলি আল কাবাসকে বলেছেন, আইনবিষয়ক কমিটি পাবলিক প্রসিকিউশনের দপ্তরের অনুরোধের বিষয়ে এক মাসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দেবে। যদি কমিটি এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হয়, তখন ধরে নেওয়া হবে উল্লিখিত দুই সাংসদের প্রাধিকার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত