প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাড়া-মহল্লায় ভ্যানে সবজির দাম কম, বাজারে বেশী

শাহীন খন্দকার : [২] কোভিড-১৯ ছুটি শেষে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক হলেও বাজারে হু হু করে বাড়ছে সব ধরনের সবজির দাম। প্রায় সব সবজির কেজিই এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকার ওপরে। আবার কোনো সেবজি ১০০ টাকার ওপরে। ব্যবসায়ী পর্যায়ে হাতবদল হলেই কেজিপ্রতি বেড়ে যাচ্ছে ভ্যানে ৩ টাকা বাজরে ৮ টাকা থেকে ১০ টাকা।

[৩] কৃষিবাজারের সবজি বিক্রেতা ডিউক কারওয়ান বাজার থেকে পাইকারিতে ২৮ টাকা কেজি ঢেঁড়স কিনে খুচরায় বিক্রি করেন ৪০ টাকা। তাঁর দাবি, মাল কেনার পর ভ্যান খরচ কেজিতে দুই টাকা। সেই সঙ্গে কিছু মাল নষ্ট হয়, কিছু ওজনে ঘাটতি হয়। এর সঙ্গে লাভ যোগ করে ৩৭ টাকার নিচে বিক্রি করা যায় না। প্রতিটি সবজির দামই এভাবে হাতবদলের পর কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেড়ে যাচ্ছে।

[৪] আজ বুধবার (২৪ জুন) ভোরে কাওয়ানবাজার থেকে পাইকারিতে কিনে ভ্যানে পুঁইশাক নিয়ে টাউনহল বাজারে আসচ্ছিলেন বিক্রেতা রহিম মিঞা। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব খরচ মিলে ১৫ টাকা পড়েছে পুঁইশাকের কেজি। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পুঁইশাকের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা আর মহল্লায় ২০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিবছর বর্ষায় সবজির দাম বাড়ে। তবে এবার একটু বেশিই বেড়েছে। প্রতিটি সবজির দাম এবার গেল বছরের একই সময়ের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি।

[৫] রাজধানীর ,টাউনহল, নবোদয়, শ্যামলী, কৃষিমার্কেট বাজার , শেখেরটেক রাস্তার ওপরে ভ্যানে সবজির বিভিন্ন দোকান ঘুরে, পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কেজিপ্রতি সব সবজির দাম গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি। আবার কিছু সবজির মৌসুম না হওয়ায় সেগুলো আমদানি করতে হয়। খুচরা বাজারে ভালো মানের টমেটো ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। অথচ চলতি মাসের শুরুতে টমেটোর কেজি ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

[৬] আলুর কেজি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ৩৫ টাকা শীলআলু ৪০ টাকা টাকার বেশি বিক্রি হচ্ছিল। তবে আজ কেজিতে ৩ টাকা কমে ২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার পরও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কেজিতে ৬ থেকে ৮ টাকা বেশি। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে আলুর দাম গত বছরের তুলনায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে।

[৭] খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তে সবজির দাম বেশি, তাই তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কৃষিবাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, তার সব সবজি বেড়ীবাধ এলাকার টাটকা তাই দাম বেশী। ‘গত বছরও এই সময় ঢেঁড়স বিক্রি করেছি ৩০ টাকা কেজি। কেনা পড়ত ২০ থেকে ২২ টাকা। এ ছাড়া পটোল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি আর করলা বিক্রি করেছিলাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। প্রতিবছর বর্ষায় সবজির দাম বাড়ে। এ বছর একটু বেশি বেড়েছে।’তাই প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা নিচ্ছি!

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত