প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট প্রদান চক্রের ৫ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] করোনার উপসর্গ থাকা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামের দুই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হুমায়ন কবীর, কর্মচারী তানজিনা ও আরিফুল চৌধুরীসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

[৩] মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার আশকোনা ও গুলশান-২ এর কনফিডেন্স টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। চক্রটি করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট এর জন্য জন প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নিত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[৪] পুলিশের ভাষ্য, এরা করোনার উপসর্গ থাকা রোগীদের বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেয়। তবে নমুনা সংগ্রহ করার পর তা আর পরীক্ষা করা হয় না। তাদের নেই কোন ল্যাব। কম্পিউটারে ফলাফল লিখে ই-মেইলে তা রোগীর কাছে পাঠিয়ে দেয়। এভাবেই ইতোমধ্যে ৩৭ জনের ভুয়া কভিড-১৯ টেস্ট রিপোর্ট জানিয়ে দিয়েছে তারা। নমুনা সংগ্রহের সময় রোগীর বাহ্যিক উপসর্গ দেখে একটা ধারণা থেকে ফলাফল তৈরি করে। করোনার বাহ্যিক উপসর্গ দেখা দিলে, সে ক্ষেত্রে তার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ উল্লেখ করা হয়। কোনো উপসর্গ না দেখা দিলে তার রিপোর্টে নেগেটিভ উল্লেখ করা হয়।

[৫] পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার মাহমুদ খান বলেন, মঙ্গলবার সকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গুলশানের কনফিডেন্স টাওয়ারের অফিসে অভিযান চালিয়ে কম্পিউটার জব্দ করা হয়। কম্পিউটারে জাল রিপোর্ট পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তারা ৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে করোনার মনগড়া রিপোর্ট দিয়েছেন। বাসায় গিয়ে স্যাম্পল সংগ্রহ করতে জন প্রতি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে তারা নিয়েছেন।

[৬] পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন উর রশিদ বলেন, এই চক্রটি আগে জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নামের প্রতিষ্ঠানে বুথের মাধ্যমে করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন লোকের নমুনা সংগ্রহের চাকরি করত। এই প্রতিষ্ঠানটি আইইডিসিআর কর্তৃক করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুমোদিত। গত ১২ এপ্রিল তারা এই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেয়। পরে তারা অনলাইনে ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ব্যবহার করে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামে দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে নিজস্ব ল্যাবে পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়। তাদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।দেশ রূপান্তর,

সর্বাধিক পঠিত