প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]আমি ২৪ ঘণ্টার মেয়র, কর্মস্থলে না পেলে চাকরি নেই : মেয়র তাপস

সুজিৎ নন্দী : [২] ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, যেকোন সময় যে কোন কার্যক্রম পরিদর্শনে যাব। সে সময় স্পটে কাউকে পাওয়া না গেলে ধরে নেবেন তিনি আর ডিএসসিসিতে কর্মরত নেই। সেটা তিনি যে পর্যায়ের কর্মকর্তাই হোন। তিনি বলেন, গৎ বাধা পুরনো লোক দেখানো কার্যক্রম থেকে বেরিয়ে এসে মাইন্ডসেট পরিবর্তন করে অর্জিত মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর সেবাদানে আন্তরিকভাবে কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

[৩] তিনি আরো বলেন, তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত মশক নিয়ন্ত্রণের পুরো কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হবে। মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে যেসব কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরা হলো তার সঠিক বাস্তবায়নে কোন ব্যত্যয় বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবেনা।

[৪] আজ নগর ভবন সেমিনার রুমে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় ডিএসসিসি মেয়র এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মীর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি গঠন করে দেয়ার কথা উল্লেখ করে তাপস বলেন, এ কমিটি মাঠ পর্যায়ে প্রাপ্ত কার্যক্রমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপযুক্ত কার্যক্রম গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করবেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের পরামর্শ নেবেন। ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

[৫] মেয়র আরো বলেন, মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত মশক কর্মীরা এসব কাজ আন্তরিকতার সাথে পালন করবেন। মনিটরিং এর দায়িত্বে নিয়োজিতরা তা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। ১৪ জুন থেকে দক্ষিণ সিটি এলাকার জলাশয়, লেক, খাল সনাক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো শুরু হবে। একসাথে নর্দমা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চালানো হবে।

[৬] ডিএসসিসির কর্ম পরিকল্পনাগুলো হচ্ছে, করপোরেশনের ১০ টি অঞ্চলে জলাশয়ে কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করা, প্রতিবিঘা জলাশয়ে আনুমানিক ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার তেলাপিয়া এবং ২৫ টি হাঁস চাষ করতে হবে।

[৭] জলাশয়ে নিয়মিত জাল চালনা করা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাধ্যমে সকল নর্দমা পরিষ্কার করতে হবে। রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ৮ জন মশককর্মীর মাধ্যমে সকাল ৯ টা হতে ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ১০ জন মশক কর্মীর মাধ্যমে দুপুর আড়াইটা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ফগিং কার্যক্রম চালাতে হবে।

[৮] পাশাপাশি সোর্স রিডাকশন কার্যক্রমের আওতায় অনলাইন এ নগরবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতি ওয়ার্ডে ৩ জন মশক কর্মীর মাধ্যমে নাগরিকদের বাসা এবং কর্মস্থল প্রাঙ্গণে এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংশ কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কার্যক্রম চলবে।

[৯] সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো: ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে‌ডিয়ার জেনারেল শ‌রিফ আহমেদ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর আবদুল বাতেন, সচিব আকরামুজ্জামানসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, এন্টোমোলজিষ্টগন উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত