প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাস ভাড়া বাড়ছে ৮০ শতাংশ, লঞ্চ ভাড়া বাড়াতে কমিটি গঠন [২] প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ৪ সংগঠন

শরীফ শাওন : [৩] করোনাভাইরাস সংকটের সময়ে বাসের ভাড়া বাড়ানোর এই সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাস-মিনিবাস ও আন্তঃজেলা সবক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ। অপরদিকে বিদ্যমান ভাড়ায় রোববার থেকে আপাতত লঞ্চ চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। তবে ভাড়া বাড়বে কিনা- সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে।

[৪] শনিবার (৩০ মে) বিআরটিএ’র ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বিআরটিএ’র কর্মকর্তা ছাড়াও মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সভায় উল্লেখ করা হয়, প্রতিটি বাসে আসনের অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী বহন করতে পারবে।

[৫] যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোভিড-১৯ সংকটকালে দেশের অসহায় জনগণের উপর বর্ধিত ভাড়ার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া উচিৎ হবে না। তিনি অনতিবিলম্বে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যমান ভাড়ায় জন সাধারণকে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়ার দাবী জানান। এছাড়াও ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রিন ক্লাব অব বাংলাদেশের (জিসিসি) সভাপতি নুরুর রহমান সেলিম; নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া এবং শিপিং এ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) সভাপতি আশীষ কুমার দে এর বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

[৬] যাত্রী কল্যাণ সমিতিরি মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাস মালিকপক্ষ বিভিন্ন অযুহাতে যাত্রীদের থেকে ১২০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করবে। অতিতের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, যেকোন সংকটে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ালে তা স্বাভাবিক সময়েও কমানোর কোন নজির নেই।

[৭] বিজ্ঞপ্তিতে মোজাম্মেল হক জানান, চালক শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সম্পর্কে কোন প্রশিক্ষণ না দিয়ে গনপরিবহন চালু করা হলে জনগণ চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে। সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ না করে, জ্বালানী তেলের মূল্য না কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করার বিপক্ষে মতামত দিয়ে জানান, এতে সড়কে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হবে এবং যাত্রী হয়রানি আরো বাড়বে।

[৮] বাকি ৩ সংগঠনের যৌথ বিবৃতিতে নেতারা একই সমস্য তুলে ধরে গণপরিবহন সংকট নিরসন ও বেসরকারি বাসমালিক ও শ্রমিকদের অর্থনৈতিক নিপীড়ন থেকে সাধারণ জনগণকে রক্ষার জন্য সারাদেশে বিআরটিসির সেবার পরিধি ও মান বৃদ্ধির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত