প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিভিন্ন পণ্যের দাম সহনীয় থাকলেও ইফতার সামগ্রীর মূল্য বাড়িয়েছে দোকানিরা

লাইজুল ইসলাম : [২] সকালে রাজধানীর মগবাজার, কারওয়ান বাজার, পলাশী ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ইফতারের পন্যগুলোর কিছুটা দাম বেড়েছে।

[৩] বাজারে আজ ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫-৮০, বেশন ১২০, মশুর ডাল ১৩০-১৩৫, মসুর (মোটা) ৯০ টাকা, খোসারি ডাল ১২০, ডাবরি ডাল ৫০ টাকা, অ্যাঙ্কর ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

[৪] দোকানীরা বলছেন, কয়েকদিন আগের এসব মুদি ইফতারের পণ্যের দাম বেড়েছে। তাছাড়া করোনার কারনেও দাম একটু বেশি। কিন্তু গত রমজানের বাজারের তুলনায় এবারের বাজার অনেকটাই স্থীর বলে দাবি করেন তারা।

[৫] কাঁচা সবজির মধ্যে লম্বা বেগুনের দাম অনেকটাই বেশি। কেজি প্রতি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। অবশ্য অন্য বেগুনগুলোর দাম আছে সহনীয়। আর বড় ও ভালো মানের লেবুর হালি ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। শসা ৪০-৫০, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ধনিয়াপাতা মুটা ১০, পুদিনা পাতা ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

[৬] প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০, সিম ৩০-৪০, টমেটো ৩০-৪০, করলা ৩০-৪০, উস্তা ৩০-৩৫, গাজর ৩০-৪০, পেঁপে ২০-৩০, কচুর লতি ৪০-৫০, বড় কচু ৫০-৬০, মুলা ২০, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, ঝিঙা ৪০-৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০, প্রতি পিস বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৩০, প্রতিহালি কলা ১০ টাকায়।

[৭] প্রতি আঁটি কচু শাক ৮-১০, লাল শাক ১০, মুলা ১০, পালং শাক ১০, লাউ ও কুমড়া শাক ২০, পুঁই শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

[৮] গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০, মহিষের মাংস ৬০০, খাসির মাংস ৮০০, বকরি ৭৫০ টাকা কেজি দরে।

[৯] বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১২০, বাজারভেদে লেয়ার ১৮০-২০০, সোনালি ২৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

[১০] এছাড়া, মাছ, চাল ও তেলের দাম আগের মতই আছে। চাল এখনো বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে।
[১১] প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪৬০০-৫৫০০, জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০-৩৬০০, জায়ফল ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত