শিরোনাম
◈ বয়কট আলোচনার ম‌ধ্যে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপের জন্য বিমা‌ন বুক করেছে পাকিস্তান  ◈ এক যুগ পর আজ শুরু হচ্ছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট ◈ ১৮ মিনিট আগেগণভোটে 'হ্যাঁ' অথবা 'না' এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা ◈ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পেতে বাধা কাটলো   ◈ বাংলা‌দেশ বিশ্বকাপ খেল‌ছে না ব‌লে খা‌লেদ মাহমুদ সুজ‌নের হৃদয়ে রক্তক্ষরণের অনুভূত হ‌চ্ছে ◈ জয় শাহর ৮ বার কল, সাড়া দিলেন না পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি ◈ জামায়াত নেতা হত্যা: ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার ◈ আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা ◈ রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ৪০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ, ২০২০, ০৫:২৫ সকাল
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২০, ০৫:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বাধীনতার ৪৯ বছরে নারীরা অনেক এগিয়েছে তা স্বীকার করতেই হবে আমাদের

রাশেদা কে. চৌধুরী

স্বাধীনতার পর নারীরা অনেক দূর এগিয়েছে তা আমাদের স্বীকার করতেই হবে। একদিকে যেমন নারীরা এগিয়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জও তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তাদের এই এগিয়ে যাওয়াটিকে দশক ধরে বললে, বেশি অগ্রগতি হয়েছে নব্বইয়ের দশক থেকে। কারণ সত্তরের দশকের পর নানা টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল দেশ। সামরিক শাসন, স্বৈরশাসনের মধ্যে নারীর অগ্রগতির ধারাটি ওইভাবে দৃশ্যমান ছিল না। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে অনেকটা দৃশ্যমান। নব্বইয়ের দিকে স্কুলে ভর্তির হার ৪০-৪৫ শতাংশও ছিল না। যা এখন প্রায় শতভাগ।
বিভিন্ন পেশা, শিক্ষার ক্ষেত্রেও দেখা যায় নারীদের অগ্রযাত্রা রয়েছে। মেডিকেল, ইঞ্জিয়ারিং, কারিগরি শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে।

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে সমতা অর্জিত হলেও নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হচ্ছে তাদের। এক রিপোর্ট থেকে জানা যায়, মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার প্রায় ৪০ শতাংশ। যেখানে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার বেশি। বিশেষ করে, অষ্টম শ্রেণি থেকে তারা ঝরে পড়তে শুরু করে। তাদের অনেককেই বালবিবাহের শিকার হতে হয়। নারীর অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ একটা উপদ্রব হিসেবে আর্বিভ‚ত হয়েছে। বাবা-মায়েরা তার মেয়ে সন্তানটিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। কারণ তাদেরকে প্রায় নিরাপত্তাহীনতার ভেতর দিয়ে চলাফেরা করতে হয়। রাস্তাঘাট, স্কুলের মধ্যেও নারীরা নিরাপদ নয়। এ নিয়ে গণমাধ্যম অনেক প্রতিবেদন করে।

প্রায় উঠে আসছে এসব ঘটনা। গণমাধ্যমের কারণেই পরিমল জয়ধরের মতো শিক্ষককেও বড় শাস্তি পেতে হয়েছে। চোখের আড়ালেও এরকম অনেক ঘটছে। যার ফলে বাবা-মা তার মেয়েটিকে নিয়ে দুঃচিন্তার মধ্যে থাকেন।
শিক্ষায় যেখানে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে, সেখানে এ খাতে বিনিয়োগ কমালে হবে না। শিক্ষায় বরাদ্দকৃত অর্থকে ব্যয় না ধরে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা না করা দরকার। পরিচিতি : তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকার গ্রহণ : মাসুদ হাসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়