প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সন্দেহজনক রোগীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে, এখনো নিশ্চিত হয়নি কোয়ারেন্টাইন, ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণও নেই

নিউজ ডেস্ক : [২] যারা চিহ্নিত হয়েছেন, সবার টেস্টও নিশ্চিত হয়নি। মোকাবিলায় আসেনি পূর্ণাঙ্গ উপকরণ। বাস স্ট্যান্ড, সরকারি হাসপাতালে ঢোকার আগে হাত ধোয়া, গণপরিবহনে কয়েক ঘণ্টা পরপর জীবাণুনাশক ছিটানোর উদ্যোগও রাষ্ট্র থেকে আসেনি। আমারসংবাদ

[৩] ঢামেক, অ্যাপোলো হাসপাতালেরসহ বেশ কয়েকজন ডাক্তারও কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। করা হয়নি জাতীয় সুরক্ষা কমিটিও। প্রস্তুতিতে লেজেগোবরে অবস্থা। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ভয়ঙ্কর হবে হোম কোয়ারেন্টাইন, বলছেন অনেকে।

[৪] এর মধ্যে এখনো অনেকে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন। বিমানবন্দর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইন সিল লাগিয়ে দেয়ার পর তারা উধাও হয়ে যাচ্ছেন। পুলিশও তাদের খুঁজে পাচ্ছে না।

[৫] জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে আক্রান্তদের সবাই বিদেশ থেকে আসা আত্মীয়ের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন। তাই বিদেশফেরতরাই বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি। তারাও দেশে এসে এখন পালিয়ে রয়েছেন। মানছেন না সরকারি নির্দেশনা।

[৬] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানবন্দর থেকে তাদের ছেড়ে দেয়াই মারাত্মক ভুল হয়েছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় রাখা ছাড়া ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন তারা নিজ উদ্যোগে করবেন— এতে কোনোভাবে আশ্বস্ত হওয়া যায় না। এছাড়া তারা আক্রান্ত হলেই তাৎক্ষণিক চিকিৎসা কতটুকু নিশ্চিত হবে তাও প্রশ্ন থেকে থেকে যায়।

[৭] খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুনিয়াজুড়ে করোনা রোগী আক্রান্তের পর এ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে ঢুকেছেন ছয় লাখ ২৪ হাজার ৭৪৩ জন। এদের সবাইকে স্বাস্থ্যগত স্ক্রিনিং করা হয়েছে বলে দাবি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর)।

[৮] সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৫১০ জন বিদেশি বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে স্কিনিং হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত দেশের ৪৫ জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন দুই হাজার ৫১৮ জন।

[৯] যার অধিকাংশই এসেছেন ইতালিসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৪৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ২০ জন। আইসোলেশনে রয়েছেন ১৯ জন।

[১০] সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, গত কয়েকদিনে পঞ্চগড়ে বিদেশফেরতের সংখ্যা ৯ শতাধিক। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মাত্র ৯ জন। অন্যদের বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে কোনো তথ্য নেই।

[১১] গত ১ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত এই প্রবাসীরা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রবেশ করেন। গত বৃহস্পতিবার পঞ্চগড়ে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের জরুরি বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

[১২] বিদেশফেরতদের শনাক্ত করতে তালিকা করতে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নপর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

[১৩] পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী জানান, গত ১ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের বাইরে থেকে প্রায় ৯০০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন।

[১৪] রাঙ্গামাটি ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য মতে, গত ১ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৪৩ জন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে এলেও তাদের মধ্যে মাত্র ৯ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

[১৫] বাকি ২৩৪ জন নিজেদের তথ্য গোপন করে অবস্থান করছেন। তাদের শনাক্ত করতে জেলায় কর্মরত সবগুলো গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছুফিউল্লাহ।

[১৬] তিনি বলেন, এরা সবাই রাঙ্গামাটি এসেছেন কি-না, এলে কোথায় আছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করছি আমরা। ইতোমধ্যে বিদেশফেরতদের তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

[১৭] নাটোরে বিদেশফেরতের সংখ্যা ১২শ। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মাত্র ২৭ জন। পাশাপাশি ১৪ দিনের বিশেষ মেয়াদ শেষে রিলিজ পেয়েছেন দুইজন।

[১৮] বৃহস্পতিবার বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল ইসলাম এবং সিভিল সার্জন ডাক্তার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

[১৯]অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল ইসলাম জানান, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলায় বিভিন্ন দেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১২শ মানুষ ফেরত এসেছেন।

[২০] এদিকে সিভিল সার্জন চিকিৎসক মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নাটোরে হোম কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান করছেন ২৭ জন আর বিশেষ মেয়াদ শেষে রিলিজ পেয়েছেন দুইজন।

[২১] খুলনায় গত দুই সপ্তাহে জেলায় দুই হাজার ৫৪৬ জন বিদেশ থেকে ফিরেছেন। মাত্র ৩০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। বাকি দুই হাজার ৫১৬ জনের খোঁজ মিলছে না। এ অবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ে ভয়াবহভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

[২২] জানা যায়, গত ১ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত চীন, ইতালি, ভারত, সিঙ্গাপুর, ওমান, সৌদি আরব ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এই প্রবাসীরা দেশে ফেরেন। খুলনা সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে জেলা টাস্কফোর্সের বিশেষ জরুরি সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা পুলিশ এ তথ্য জানায়।

[২৩] পুলিশ জানায়, ইমিগ্রেশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেছেন।

খুলনা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, বিদেশফেরতদের তথ্য সংগ্রহ ও বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখতে প্রশাসনকে ভূমিকা নিতে হবে।

২৪] ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক জানিয়েছেন, কাগজপত্রে গত দু’সপ্তাহে এক হাজার ৪৩০ জন বাসিন্দা দেশে ফিরেছেন। জেলায় এখন পর্যন্ত ১৭৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

[২৫] এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘুরাফেরার অভিযোগে জেলায় ছয় প্রবাসীকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

[২৬] ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আইন অমান্য করায় গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনকে জরিমানা করা হয়েছে। প্রবাসীরা ওমান, ইতালি, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, ভারত, মালয়েশিয়া, আবুধাবি থেকে ফেরত এসেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

[২৭] কুমিল্লায় ১৪০০ জন প্রবাসী বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত এলেও হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৮৭০ জন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জেলার সিভিলে সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান এ তথ্য জানান।

[২৮] তিনি বলেন, গত ১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত তারা বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত এসেছেন। রাজবাড়ী জেলায় গত বুধবার পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ জন প্রবাসী এলেও তাদের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মাত্র ৯০ জন।

[২৯] বিদেশ ফেরত এই বিপুল সংখ্যক প্রবাসী নজরদারির বাইরে থাকায় তারা ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং পরিবার-স্বজনসহ সবার সাথে মিশছেন, এতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

[৩০] রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরূল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার আরও ৩০ জন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এই নিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মোট প্রবাসীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ জনে। তারা সবাই সুস্থ আছেন।

[৩১] সিরাজগঞ্জে প্রায় ১৭০০ বিদেশফেরত রয়েছেন। অধিকাংশ এসেছেন চীন ও মালেয়শিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। এখন পর্যন্ত ৬৯ প্রবাসীকে নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। বাকিদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

[৩২] সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন দেশকে ফেরা ৫৯ জন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। লক্ষণ ছাড়াই তাদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

[৩৩] সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম জানান, সিরাজগঞ্জের পাসপোর্টধারী প্রায় ১৭০০ জন বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন। প্রতিটি থানায় তালিকা পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে খুঁজে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।

[৩৪] পটুয়াখালিতে বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে সমপ্রতি দেশে ফিরেছেন ১১শ জন। এদের মধ্যে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মাত্র ২৩ জন। জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। বাগেরহাট জেলার তিন হাজার ১৯৪ জন প্রবাসীর মধ্য মাত্র ২৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

[৩৫] বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির জানান, করোনা আতঙ্কে এত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাগেরহাটে নিজ নিজ বাড়িতে এসেছে তা আমাদের জানা ছিলো না।

[৩৬] গত বুধবার সকালে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিভাগের এই তালিকা আমার কাছে এসেছে। নারায়ণগঞ্জে বিদেশফেরত সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি। এর মধ্যে মাত্র ৩০ জন রয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে।

[৩৭] জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নুরে আলম জানান, ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার ১৩৯ জন দেশে এসেছে। ৩০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছি আমরা।

[৩৮] টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দিন দিন বাড়ছে হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা। বিদেশ থেকে ২৬০ প্রবাসী দেশে আসায় তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে।

[৩৮] টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান জানান, গতকাল সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ২৮৫ জন বিদেশফেরতকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছিল।

[৩৯] এর মধ্যে নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ায় ২৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যক্তিরা সবাই বিদেশফেরত।

[৪০] অন্যদিকে পুলিশের তথ্যমতে, চলতি মাসের ৩ তারিখ থেকে গতকাল ১৯ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ হাজার ২৪৭ জন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে টাঙ্গাইলে এসেছেন। যার অধিকাংশকে এখনো হোম কোয়ারেন্টাইনে আনা যায়নি।

[৪১] ফেনীতে প্রবাসফেরত চার হাজার পাঁচজনের মধ্যে ৪৮৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

[৪২] এদিকে, শরিয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল মামুন শিকদার আমার সংবাদকে বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত শরিয়তপুরে বিদেশ ফেরত ২৮৩৭ জন এর মধ্যে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৪২০ জন।

[৪২] তিনি আরো বলেন, যারা ঢাকা বিমান বন্দর এসেছেন তাদের অনেকেই শরিয়তপুরে আসেনি। ঢাকাসহ ভিবিন্ন যায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে, আমরা তাদের খোঁজ নিচ্ছি।

[৪২] এ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্যকারীদের কারাদণ্ড ও জরিমানা হবে।

[৪৩] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডাক্তার আয়েশা আক্তার জানান, ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৫১০ জন যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তারা তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ করেছেন।

[২৪] হযরত শাহ জালাল, শাহ আমানত ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সিলেট হয়ে তিন হাজার ৩৩৪ জন আর দুটি সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মংলায় দিয়ে ৬২ জন অন্যান্য স্থলবন্দরগুলো দিয়ে ৬১১ জন।

[৪৫] সচেতনতার নির্দেশনা দিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘যেসব ব্যক্তি কোভিড-১৯ আক্রান্ত দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসে গৃহ/স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনের নিয়মকানুন মানছেন না এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখছেন না, তারা পরিবারের সদস্যদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন।

[৪৬] বাংলাদেশে যে পাঁচ ব্যক্তি দেশে বসেই কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন, তারা সবাই প্রবাস থেকে ফিরে আসা নিকটজনদের কাছ থেকে সংক্রমিত হয়েছেন।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত