শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ত্রিমুখী হিসাব—ভারত শঙ্কিত, চীন হিসাবি, পাকিস্তান আশাবাদী ◈ এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইউরোপ নির্ভরতায় পোশাক রফতানি: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকি ◈ দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল ◈ মেয়াদের শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি: চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ◈ সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ঝুলন্ত পার্লামেন্ট, কোয়ালিশন সরকার, ক্ষমতা হস্তান্তর কিংবা সরকার গঠন- এগুলো কীভাবে হয় ◈ সারা দেশে গত ৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা হয়েছে ২৭৪টি : প্রেস উইং  ◈ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যেই প্রণীত জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ ◈ পাকিস্তান‌কে আই‌সি‌সির উ‌চিৎ শিক্ষা দেয়া উ‌চিৎ, বল‌লেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৪০ সকাল
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিক্ষকতা পেশায় কেউ বড়লোক হতে আসেন না, তবে ন্যূনতম সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রকেই করতে হবে

কামরুল হাসান মামুন : অনেকের কাছে যেটা অলস সময় সেটাই আমার সবচেয়ে ক্রিয়েটিভ সময়। তোমরা যখন ভাবো আমি কিছু করি না তখনই আমি বেশি কাজ করি। আমার গবেষণার অধিকাংশ আইডিয়া এসেছে আমি যখন অলস সময় কাটাই। আমার গবেষণার অধিকাংশ আইডিয়াগুলোও পেয়েছি গোসলখানায়, অলসভাবে রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে অথবা এমনি এমনি আনমনে বসে থেকে। আমি আমার পরিচিত যতো গবেষকদের সঙ্গে কথা বলেছি তাদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই এটি সত্য। এ জন্যই পৃথিবীর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ হতে হয় মনোরম। গাছগাছালিতে ভরা কোলাহলমুক্ত পরিবেশ। অনেকটা পার্কের মতো। কাজ করতে গিয়ে ভালো লাগছে না তখন হয়তো গান শুনতে ইচ্ছা করছে অথবা প্রকৃতির কাছে যেতে ইচ্ছা করছে। একটু খোলা পরিবেশে গিয়ে একা একা হাঁটা আইডিয়া হান্টের জন্য খুবই উপযোগী।

এখন একবার ভাবুন আমার যদি ওইসব অলস সময় না থাকতো তাহলে কী হতো? অনেকেই যারা ভাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তো দিনে একটা বা দুইটা ক্লাস থাকে। বাকি সময়টা কিছুই করেন না। আপনারা যখন মনে করেন কিছুই করি না তখনই আমরা সবচেয়ে ভালো কাজটি করি। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকই এই অলস সময়টা পান না বা পেলেও এতোটা ঃরৎবফ বিরক্ত যে আইডিয়া ভয়ে দূরে থাকে। আমি নিজে আর্থিকভাবে একটু সচ্ছল আর যতোটুকু আছে তাতে সন্তুষ্ট। যদি না হতাম। তাহলে আমাকেও আমার বেতনের ডেফিসিট মেটাতে খ্যাপ মারতে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো। অথবা রাজনীতি করে নানা ছন্দাই নন্দাই করে পুষিয়ে নিতে হতো। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব শিক্ষকদের এ সবের পেছনে যে দৌড়াতে না হয় সেই ব্যবস্থা করা। শিক্ষকতা পেশায় কেউ বড়লোক হতে আসে না। তবে ন্যূনতম সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রকেই করতে হবে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়