শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:২০ দুপুর
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

র‌্যাবের অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ যৌন উত্তেজক শরবতের বোতল ও ভেজাল কয়েল জব্দ, আটক ১২

সুজন কৈরী : সোমবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের কতুবপুর এলাকার এম. কে ফুডস্ ও এম.এম কনজুমার নামক ২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় র‌্যাব-১১। প্রতিষ্ঠান দুটি অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে অননুমোদিত যৌন উত্তেজক লায়ন ফুড শরবত এবং বিভিন্ন ব্রান্ডের ভেজাল কয়েল তৈরি করছিলো। এ ঘটনায় আটক ১২ জন হলেন- সুমন মোল্লা, রকিবুল ইসলাম, ফয়সাল আহম্মেদ, রাজু বেপারী, খায়রুল আলম, হাবু বেপারী, রাকিব হোসাইন, আব্দুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, তাহমীদ ইসলাম, আনোয়ার হোসেন এবং রাশেদ গাজী। যৌন উত্তেজক শরবত ও কয়েল পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, এম.এম কনজুমার দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে জাম্বু, গাংচিল, ইগলু, ম্যাক্স, নাইট মাস্টার ইত্যাদি বিভিন্ন খ্যাতিসম্পন্ন ব্রান্ডের নামে কয়েল তৈরি ও পাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করছে। এম.কে ফুডসের উৎপাদিত যৌন উত্তেজক লায়ন ফুডস শরবতগুলো প্যারাসিটামল পাউডার, টেস্টি সল্ট, স্যাগারিন, এমপিএস, ব্যাফেন, এসএস পাউডার, সোডিয়াম পাউডার, সাইট্রিক এসিড, ঘাম, ঘন চিনি, সাধারণ চিনি, ফ্লেভার ও রংসহ মোট ১৬টি ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই অননুমোদিত ভেজাল কয়েল ও যৌন উত্তেজক শরবত উৎপাদন করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করছে। তিতাস গ্যাস কোম্পানীর টেকনিশিয়ানের প্রর্যালোচনায় দেখা যায় কারখানা দুটি দীর্ঘদিন ধরে প্রতি মাসে ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার গ্যাস চুরি করছে। অভিযানকালে তিতাস গ্যাস কোম্পানী কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোর অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।

  • সর্বশেষ