শিরোনাম
◈ কাবুলে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের বিমান হামলা: নিহত ৪০০ ◈ বাংলাদেশের ২৫ বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ◈ ১৫ বছরে দেশের ২১ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, গ্লোবাল ফ্রড সামিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শহীদ মিনারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা, জানা গেল নেপথ্যের ‎কারন ◈ রহস্যে ঘেরা জাবি শিক্ষার্থী শারমিন হত্যা, স্বামী ফাহিম রিমান্ডে ◈ খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে ২৬ কোটি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার সেই প্রতারক ◈ নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’র খবরে রহস্যের জট, এআই বিতর্কের পর এলো নতুন ভিডিও ◈ দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগিতে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর ◈ রেশনিং তুলে নেয়ার পর পাম্পে দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৪৫ দুপুর
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করাই শত্রুদের প্রধান টার্গেট বললেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

রাশিদ রিয়াজ : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ইসলামি বিপ্লবের প্রভাব সৃষ্টিকারী ও শক্তিশালী দিকগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোকে দুর্বল করার জন্য শত্রুদের নানামুখী ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শত্রুদের অন্যতম টার্গেট। তিনি তেহরানে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিষয়ক উচ্চ পরিষদের সদস্যদের এক সমাবেশে এ কথা বলেন।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইসলামি বিপ্লব বিজয়ের পর গত ৪০ বছরে ইরানের জনগণ শত্রুদের বহু ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেছে এবং এ অবস্থা কখনো থেমে থাকেনি। এ কারণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বিরাজমান হুমকি মোকাবেলায় সবসময় প্রকৃত শত্রুকে চেনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। অতীতের ঘটনাবলী এবং বর্তমানের কিছু ঘটনা থেকে বোঝা যায় ইরান ও ইরানের শাসন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য শত্রুরা একের পর এক নীল নকশ প্রণয়ন করে যাচ্ছে।

ইরানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মানুচেহের মোহাম্মদি বলেছেন, "ইরান বিরোধী মার্কিন ষড়যন্ত্রকে তিনটি পর্যায়ে বা সময়ে ভাগ করা যায়। প্রথম পর্যায়টি ছিল ইসলামি বিপ্লব বিজয়ের পর প্রথম দশ বছরে চাপিয়ে দেয়া বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ যেখানে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধ ছিল নরম যুদ্ধ যা কিনা চলে ২০১০ সাল পর্যন্ত। এ সময়টিতে শত্রুরা ব্যাপক অপপ্রচার চালিয়ে ইরানের জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও বিপ্লবী আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালায়। তৃতীয় পর্যায়ের যুদ্ধে শত্রুরা ইরানের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়। এ ভাবে তারা ইরানের ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে আসছে।" পারসটুডে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়