প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনীতির নামে একটি মহল গোটা জাতিকে ধ্বংসের অপচেষ্টায় লিপ্ত, সংসদে শ ম রেজাউল করিম

আসাদুজ্জামান সম্রাট: গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজউল করিম বলেছেন, যারা এদেশে দেশবিরোধী রাজাকার ও খুনীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলো তারাই এখন রাজনীতির নামে গোটা জাতিকে ধ্বংস করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এদের প্রতিরোধ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির দেয়া ভাষণের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন। স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রী গত এক বছরে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দেন। অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত এক বছরে ৯২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। রাজউকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ভবন নির্মাণ অনুমোদনের জন্য আগে ১৬টি সংস্থার অনাপত্তি গ্রহণ অর্থাৎ ১৬টি ধাপ অতিক্রম করতে হতো। তবে এখন সেবা সহজীকরণের জন্য ১৬টি ধাপ থেকে ১২টি বাদ দিয়ে মাত্র চারটি ধাপে নামিয়ে আনা হয়েছে। সময়সীমা ১৬৫ দিনের পরিবর্তে ৫৩ দিন পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে। ভবনের নকশা অনুমোদনের সময়সীমা ৪৫ দিনের পরিবর্তে ২০ দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে। এতে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি, ব্যয় ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে বিভিন্ন প্রভাবশালীদের দখল থেকে ১০৭ একর সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করে সরকারের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া স্বল্প ও মধ্যম আয়ের জনগোষ্ঠী, বমিতে বসবাসকারী ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সারা দেশে প্লট উন্নয়ন ও ফ্ল্যাট নির্মাণকাজও চলমান। তিনি বলেন, বিল্ডিং কোড আপগ্রেডেশনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঠিকাদারী কাজে অনিয়ম দূর করতে মন্ত্রণালয় থেকে ১৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছি। এতে টেণ্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এসেছে। আমরা সাসটেইবেল ডেভেলপমেন্টের জন্য কাজ করছি। ইতিমধ্যে এশিয়ান টাউনশীপ এ্যাওয়ার্ড পেয়েছে আমাদের পূর্বাচল প্রকল্প।

তিনি বলেন, দেশ আজ উন্নয়নশীল থাকার কথা ছিলনা। একটি উন্নত দেশ থাকার কথা ছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের চাকা উল্টো ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছিল। যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন জিয়াউর রহমান। তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। যার প্রমাণ এর হত্যার সঙ্গে জড়িত সবার সাক্ষ্যে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যুক্ত হয়ে জিয়াউর রহমান তার শপথ ভঙ্গ করেছিলেন। তিনিই খুনীদের ১১টি দেশে পাঠিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনিই ইনডেমনিটি বিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্য জাতিকে ৩৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বেঁেচ থাকতে শেখ হাসিনাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে ডুকতে দেয়া হয়নি। সেদিন রাস্তায় দাড়িয়ে পিতার জন্য দোয়া করতে হয়েছিল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত