বেলাল হোসেন: মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে সেপটিক ট্যাংক। গত পাঁচ বছরে ১৩৬ আর গত দুদিনে এতে নেমে মারা গেছেন ১০ জন। সংকট কাটাতে নিয়মিত পরিষ্কার, বিকল্প হিসেবে যন্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে দিচ্ছেন কয়েক স্তরের সেপটিক ট্যাংক বানানোর তাগিদ। ইনডেপেডেন্ট
সেপটিক ট্যাংকে নেমে জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ ও কুমিল্লায় গত দুদিনে মৃত্যু হয়েছে ১০ জন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্ট্যাডিজের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে মৃত্যু হয়েছে ১৩৬ জনের।
এবিষয়ে কোনো গাইড লাইন না থাকায় প্রাণহানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে বিলস। সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার- মেরামতে শ্রমিকদের অসচেতনতার কথা সামনে এনে, নামার আগে পানি ঢেলে ট্যাংক ভর্তির তাগিদও দিয়েছে তারা।
পয়ো ও নাগরিক বর্জ্য পচে সেপটিক ট্যাংকে জমা হয় মিথেন ও হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস। সে কারণেই এসব গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার আগে ট্যাংকে নামলে অক্সিজেন ঘাটতির কারণে ঘটে প্রাণহানি। সংকট সমাধানে কয়েক স্তরের সেপটিক ট্যাংক বানানোর তাগিদও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাশাপশি ট্যাংকে নামার আগে মোম জ্বেলে অক্সিজেন আছে কিনা দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণহানি এড়াতে শ্রমিক না নামিয়ে মেশিনেও অপসারণ সম্ভব সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী