শিরোনাম
◈ নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বাজারে হাজার টন ইলিশ, দাম কত? ◈ ঢাকার যানজট নিরসনে ২৫৮ কিলোমিটার সাবওয়ে ও ৮৮ কিলোমিটার রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা ◈ মানুষের শরীরে এআই দিয়ে তৈরি ভাইরাস প্রয়োগের দাবি বিজ্ঞানীদের, নেই গবেষণাপত্রে প্রমাণ ◈ ‌নিউইয়‌র্কে সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগ, বিপুল সম্পদের মালিক একশ্রেণির প্রবাসী বাংলাদেশির দরজায় এফ‌বিআই  ◈ বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সাইবার হামলায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ ◈ যে কারণে শনিবার ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না কয়েকটি জেলায় ◈ জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আমি পালিয়ে আসি’: আরও যা জানালো পিবিআই (ভিডিও) ◈ এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগে চাপে গুগল-আমাজন-মাইক্রোসফট, মূল ব্যবসায় ক্ষতি ও ট্রিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ ঢাকার ২৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, স্যাঁতসেঁতে কক্ষে পাঠদান ও শিক্ষক সংকটে ব্যাহত শিক্ষা ◈ থাইল্যান্ডে ১০ হাজার বিদেশিকে খুঁজছে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরাও

প্রকাশিত : ১৯ জুন, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৯ জুন, ২০১৯, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সসম্মানে গ্রেপ্তারের এই প্রক্রিয়াটি সবার জন্য চালু হোক

মোস্তফা ফিরোজ : বেখবর : বহুল আলোচিত সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়াটি অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। ডিজিটাল আইনে মামলা হবার ২০ দিন পর, কেন এতো বিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার হলো তা নিয়ে হয়তো সমালোচনা হতে পারে। কিন্তু গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াটি নিঃসন্দেহে একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরতে হবে। কেননা, অতীতে অনেক নামজাদা লোকও এমন সৌভাগ্য অর্জন করেননি। নিশ্চয়ই দেখেছেন, কোনো মিডিয়া ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেপ্তারের দৃশ্য ধারণ করতে পারেনি। সেই সুযোগও ছিলো না। সাধারণত আলোচিত গ্রেপ্তারগুলো পুলিশ সব সময় তার কৃতিত্ব দেখানোর জন্য মিডিয়াকে খবর দেয়। প্রেস ব্রিফিং করে। পাশে আসামি দন্ডায়মান থাকে। পেছনে থাকে সার বেঁধে দাঁড়ানো পুলিশ সদস্যরা। এবার ব্রিফিং ছিলো ঠিকই, কিন্তু আসামি মোয়াজ্জেম সেখানে ছিলেন না। এক থানায় গ্রেপ্তার। অন্য থানায় ব্রিফিং।

প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে মোয়াজ্জেমের ফাইল ছবি দিয়ে গ্রেপ্তারের নিউজ করতে হয়েছে। ভাগ্য ভালো যে ফাইল ছবি ছিলো। না থাকলে রিপোর্টিং দুর্বল হতো। যাহোক। আমি গ্রেপ্তারের এই প্রক্রিয়াকে এই জন্য প্রশংসা করছি যে, অভিযুক্ত কাউকে আসামি করে গ্রেপ্তার হওয়া মাত্র আগে যেভাবে হুলুস্থুল করে মিডিয়ায় প্রচার করা হতো, এবার পুলিশ সেই সুযোগটি দেয়নি। এর কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে দুটি। এক. অভিযুক্ত আসামি মোয়াজ্জেম এখনো আদালতের মাধ্যমে অপরাধী প্রমাণিত হয়নি। সুতরাং আগেই তাকে মিডিয়া ট্রায়েলের সুযোগ দেয়নি পুলিশ। দুই. পেশাগত জীবনে ওসি মোয়াজ্জেম ওই ঘটনা বাদ দিলে নিশ্চয়ই এমন অনেক অবদান রেখেছেন, যার সুফল হয়তো কোনো ব্যক্তি,দল, প্রতিষ্ঠান বা সরকার পেয়েছে। সুতরাং এই দিক বিবেচনা করে ওসি মোয়াজ্জেমের প্রতি গ্রেপ্তারের বিষয়ে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কারাগারে গুড়, রুটির বদলে হালুয়া-রুটি-খিচুড়ি সরবরাহের প্রশংসিত পদক্ষেপ চালু হয়েছে। খাবারের এই মেন্যুর পাশাপাশি এখন সময় হয়েছে গ্রেপ্তারের রীতিরও পরিবর্তন করা। ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়াটি কেবল পুলিশ হওয়ার কারণে আলাদা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা না করে সব আসামির ক্ষেত্রেই যেন চালু করা হয়। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, অতীতে দেশের দুই প্রধান নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াও যখন গ্রেপ্তার হয়েছেন তখন সেটি ঘটা করে দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলা থেকে শুরু করে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিও কিন্তু ওসি মোয়াজ্জেমের মতো সসম্মানে গ্রেপ্তারের সুযোগ পাননি। তাই ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেপ্তারের এই প্রক্রিয়াটিকে আইনি ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য দাবি করছি। ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ