প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সার্জারির ক্ষেত্রে মুসলিম চিকিৎসকদের অবদান(পর্ব-তিন)

নিউজ ডেস্ক : আজকের অত্যাধুনিক শল্যচিকিৎসা বা সার্জারি হলো শত শত বছরের কিছু মানুষের নিরলস সাধনার ফসল। এই মানুষগুলো রোগিদের জীবন রক্ষার তাগিদে যেসব উদ্ভাবন করে গেছেন তারই সম্মিলিত রূপ হলো বর্তমান যুগের সার্জারি। মানুষের জীবন বাঁচানোর যে আকাঙ্খা মূলত তাই প্রতিফলিত হোত হাজার বছর আগের স্পেনের মুসলিম শল্যচিকিৎসকদের বা সার্জনদের মধ্যে। রক্তসংবহনতন্ত্রের অস্ত্রোপচার বা ভাস্কুলার সার্জারি, সাধারণ অস্ত্রোপচার এবং হাড় বা অর্থোপেডিক সার্জারি মূলত এই তিন ধরণের সার্জারি করতেন সে সময়ের স্পেনের সার্জনরা।

ইসলামের স্বর্ণযুগের সময় কর্ডোবায় আল-জাহরাউয়ি বা অ্যাবাল কাসিস ছিলেন তার সময়ের শ্রেষ্ঠ শল্যচিকিৎসক। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সার্জারি সম্পন্ন করতেন। শুধু তাই নয় খুব মন দিয়ে রোগির অবস্থা পর্যবেক্ষণ, তাদের কথা শোনা এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া এসবই তাকে শ্রেষ্ঠ চিকিৎসকদের কাতারে দাঁড় করিয়েছিল। তিনি ছিলেন শাসক আল-আন্দালুস, আল-মনসুর এর দরবারের একজন চিকিৎসক।

শল্যচিকিৎসার নতুন নতুন ধারণা ও পদ্ধতি আবিষ্কার, প্রায় দুশো ধরণের সার্জিক্যাল যন্ত্র বা উপকরণের উদ্ভাবন এবং তার সময়ের দন্ত চিকিৎসা, ফার্মাসিউটিক্যাল বিষয় আর শল্যচিকিৎসার বিশদ আলোচনার মাধ্যমে তিনি সার্জারি বা শল্যচিকিৎসার অগ্রগতিতে অবিশ্বাস্য অবদান রেখে গেছেন। এছাড়াও, তার বই আল-তাসরিফে তিনি ব্যবহারিক ওষুধের কিছু নিয়ম এবং চিকিৎসার প্রায় প্রতিটি অবস্থায় করণীয় বা বর্জনীয় বিষয়গুলোর ধারণা দিয়ে গেছেন।

আল-জাহরাউয়ি তার বইয়ের একটি পুরো অধ্যায় নারী বা মহিলাদের মূত্রনালীর পাথর অপসারণের প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত