শিরোনাম
◈ ফিলিং স্টেশন-দোকানে ঝুলছে ‘গ্যাস নেই’, চরম বিপাকে গ্রাহকরা ◈ ৬৬টি আন্তর্জা‌তিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট সরে যাওয়ার কারণে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলা‌দেশ ◈ বিক্ষোভ ছড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চান ইরানের যে নির্বাসিত নেতা ◈ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে সুইং ভোটাররা 'প্রভাবক' হয়ে উঠতে পারেন ◈ মুক্ত বিশ্বকোষে উইকিপিডিয়া নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, মুছে ফেলা হচ্ছে জুলাই শহীদদের পেইজ! ◈ রিয়াল মা‌দ্রিদ‌কে হা‌রি‌য়ে আবারও স্প‌্যা‌নিশ সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা ◈ মার্তিনেল্লির হ্যাটট্রিকের রাতে জয় পে‌লো আর্সেনাল ও লিডস ◈ পাবনায় কারাগারে আ.লীগ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু ◈ ট্রাম্পকে ইরানের নেতাদের ‘হত্যা’র আহ্বান মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ◈ সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০১৯, ০৬:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাসের হার বাড়লেও জিপিএ ৫ কমার পেছনে অংক প্রশ্নকে দায়ী করেছে একাধিক শিক্ষাবোর্ড

নুর নাহার : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বাড়লেও জিপিএ ফাইভ না পাওয়ার পেছনে অঙ্ক পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন হবার কথা বলছেন কেউ কেউ তবে তা মানতে রাজি নন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান। তার মতে গ্রাম অঞ্চলে অঙ্ক এবং ইংরেজির ভালো শিক্ষকের অভাব রয়েছে। আর যেসব মাদ্রাসার একজনও পাস করতে পারেনি সেগুলো বেশির ভাগই ননএমপিএ ভুক্ত।- ডিবিসি টেলিভিশন

এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় এবার পাশের হার ৮২. ২০ শতাংশ। গতবার ছিলো ৭৭.৭৭ শতাংশ। পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা। অঙ্ক পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় সার্বিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে বলে দাবি কয়েকটি শিক্ষাবোর্ডের।

তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, মানবিকের শিক্ষার্থীরা অঙ্ক এবং ইংরেজিতে একটু বেশি খারাপ করছে। সেকারণেই মোট পাশের হারে প্রভাব পড়ছে। প্রশ্ন কঠিন বা সহজ এটি অপেক্ষিক বিষয়। একটি প্রশ্নে মেধাবী, মধ্যমান ও নি¤œমান সব ধরণের শিক্ষার্থীদের যাচাই করার সুযোগ থাকে। পাশ করারও সুযোগ থাকে।

এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৫৮৩টি। গতবার ছিলো ১৫৭৪টি। একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৭টি। যার মধ্যে রাজশাহী, যশোর, দিনাজপুরে একটি করে বরিশালে ২টি, কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের ৪৩টি এবং মাদ্রাসা বোর্ডের ৫৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি। গেলবার মাদ্রাসা বোর্ডের এর সংখ্যা ছিলো ৯৬টি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম ছায়েফ উল্যাহ বলেন, ৫৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পরীক্ষার্থী সংখ্যা মাত্র ২৩৬ জন। আমরা এবার যদি আরো কঠোরতা অবলম্বন করি, দিক নির্দেশনা দেই, জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসি আমি মনে করি এটি আর থাকবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়