শিরোনাম
◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার ◈ জ্বালানি আসছে, ভালভ পরীক্ষায় সাফল্য—উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর ◈ ৪৯ সেকেন্ড আগে গোল, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হ‌কির ফাইনালে ভারত 

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:১৮ সকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা অনিশ্চিত, প্রতিবেদন সাউথ এশিয়ান মনিটরের

মঈন মোশাররফ : বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা কক্সবাজারের উদ্বাস্তু শিবিরগুলো থেকে ১ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে ভাসানচর দ্বীপে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে বুধবার সাউথ এশিয়ান মনিটর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল মোমেনের বরাত দিয়ে স্থানীয় পত্রিকা বাংলাদেশ ক্রনিকল লিখে যে, তিনি ও তার সরকার মনে করে দ্বীপে গেলে রোহিঙ্গারা আরো ভালোভাবে থাকতে পারবে। কিন্তু বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই স্থানান্তরের জন্য নানা শর্ত দিচ্ছে, তারা গমনকে স্বেচ্ছামূলক হতে হবে বলে চাপ দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২৫ মার্চ জাতিসংঘ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের বিকল্প স্থানে সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে। জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, ভাসানচরে রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদ ও টেকসই জীবন যাপন করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে স্থানান্তরের আগে যেসব ক্রিটিক্যাল প্রটেকশন ও অপারেশনাল ইস্যু বিবেচনা করতে হবে সেগুলো নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, দেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১.২ মিলিয়ন রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে প্রাণ বাঁচাতে এসব উদ্বাস্তু বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এসব উদ্বাস্তুকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা করছে বাংলাদেশ।

  • সর্বশেষ