শিরোনাম
◈ লবণের দাম বৃদ্ধি ও বকেয়া সংকটে ঈদের আগে দুশ্চিন্তায় রাজারহাটের চামড়া ব্যবসায়ীরা ◈ জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে ভয়াবহ সংকট: ৫০০ শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছেন প্রতিদিন ১২০০ রোগী, রেডিওথেরাপির অপেক্ষায় ৪৫০০ মানুষ ◈ অ‌নেক ক‌ষ্টে জিত‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ লা লিগায় বার্সেলোনার সহজ জয় ◈ ভারতে চালু ৭ মিনিটের ক্যান্সার ইনজেকশন, ফুসফুসের ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন আশার আলো, প্রতি ডোজের দাম ৩.৭ লাখ রুপি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের খেলার সম্ভাবনা বাড়লো! ফিফার সঙ্গে কর্ম কর্তাদের বৈঠকে ইঙ্গিত ◈ জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরে নিতে চায় চীন, আলোচনায় একাধিক ইস্যু ◈ যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ দফা প্রস্তাব নাকচ ইরানের ◈ হরমুজ ছাড়াই পাইপলাইন ও রেলপথে তেল রপ্তানির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো ◈ চাপের মুখে অর্থনীতি, তবু বড় উন্নয়ন বাজেটের পরিকল্পনা

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:১৮ সকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা অনিশ্চিত, প্রতিবেদন সাউথ এশিয়ান মনিটরের

মঈন মোশাররফ : বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা কক্সবাজারের উদ্বাস্তু শিবিরগুলো থেকে ১ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে ভাসানচর দ্বীপে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে বুধবার সাউথ এশিয়ান মনিটর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল মোমেনের বরাত দিয়ে স্থানীয় পত্রিকা বাংলাদেশ ক্রনিকল লিখে যে, তিনি ও তার সরকার মনে করে দ্বীপে গেলে রোহিঙ্গারা আরো ভালোভাবে থাকতে পারবে। কিন্তু বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই স্থানান্তরের জন্য নানা শর্ত দিচ্ছে, তারা গমনকে স্বেচ্ছামূলক হতে হবে বলে চাপ দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২৫ মার্চ জাতিসংঘ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের বিকল্প স্থানে সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে। জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, ভাসানচরে রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদ ও টেকসই জীবন যাপন করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে স্থানান্তরের আগে যেসব ক্রিটিক্যাল প্রটেকশন ও অপারেশনাল ইস্যু বিবেচনা করতে হবে সেগুলো নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, দেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১.২ মিলিয়ন রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে প্রাণ বাঁচাতে এসব উদ্বাস্তু বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এসব উদ্বাস্তুকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা করছে বাংলাদেশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়