শিরোনাম
◈ ঢাকার চালে ২৭% ও চিড়ায় ৫৫% ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিন, গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য ◈ আগামী চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, কমতে পারে সরবরাহ: পেট্রোবাংলা ◈ মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটাল কয়েকজন, গ্রেপ্তার ৫ ◈ পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন: মিরপুর-গাজীপুরে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশন ◈ সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত, মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ ◈ গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ ও উৎপাদনে বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ত্রয়োদশ সংসদে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান, উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে ডিসেম্বরের রাজনৈতিক যোগসূত্র নেই: তথ্য উপদেষ্টা ◈ তাহসিফ সাউরি, তার বান্ধবী দিশা ও বন্ধু দীপ উত্তরার নেস্ট বারে দেড় ঘণ্টা যা ঘটেছিল দেখুন ভিডিও ◈ জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উনার নির্দেশ নিয়ে যা সত্য তা অবশ্যই আমি আপনাদের জানাব: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০১৯, ০৪:১৮ সকাল
আপডেট : ০১ মার্চ, ২০১৯, ০৪:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুষ্ঠু অবকাঠামো নেই বললেই চলে : ড. শরীফ এনামুল কবির

স্মৃতি খানম : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. শরীফ এনামুল কবির বলেছেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুষ্ঠু অবকাঠামো নেই বললেই চলে। প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও উন্নতমানের গবেষণাগার ও মানসম্মত গবেষণাপত্রের খুবই অভাব। যোগ্য মানবসম্পদ সৃষ্টি, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি ও মান উন্নয়ন এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। কেবল প্রতিষ্ঠা করলেই চলবে না, সেগুলোকে কার্যক্ষম করতে হবে। গবেষক-শিক্ষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে। গবেষণায় সময় দিতে হবে। সূত্র : ইত্তেফাক
তিনি আরও বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও গবেষণার ন্যূনতম মান বাধ্যতামূলক করতে হবে। গবেষণা পরিচালনার লক্ষ্যে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ রাখতে হবে। গবেষণা বিষয়ক প্রকাশনা ও সাময়িকীও বের করতে উদ্যোগ নিতে হবে। কেবল পদোন্নতি নয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত গবেষণা লেখালেখিই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত এগিয়ে রাখতে পারে। মানসম্মত শিক্ষা-গবেষণা নিশ্চিতকরণে আমাদের দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এ রকম কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়েই সেশনজট শুরু হয়। এইচএসসি পরীক্ষা ও এর ফল প্রকাশে লেগে যায় জুলাই-আগস্ট। এরপর একেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হয় একেক সময়। সব থেকে আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তাও অক্টোবরে। এরপর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লাস শেষ করতে লেগে যায় আরো দু’এক মাস। জুলাই থেকে সেশনের হিসাব করা হয় আমাদের দেশে। এ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরু করে বছরের প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস পরে। আর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হতে আরো কয়েক মাস সময় লেগে যায়। এ ক্ষেত্রে আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সময়সূচিতেই পরিবর্তন আনতে হবে। উদ্যোগ নিলে বছরের শুরুতেই এসএসসি, মার্চ বা এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। জুনের মধ্যে সব ভর্তি পরীক্ষা শেষ করে জুলাই থেকে ক্লাস শুরুর একটি কার্যকরী পরিকল্পনা নিলে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সমন্বিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা যেতে পারে। এতে বহুদিক থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।
দশ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা আর শিক্ষা খাতে নেয়া নানামুখী কর্মসূচির কারণে এই খাতে মোটাদাগে একটা স্থিতিশীলতা এসেছে। শিক্ষায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রবর্তন, অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও এমপিওভুক্তিকরণসহ অগ্রগতির আরও খবর আছে। সেইসাথে আছে চ্যালেঞ্জও। টানা তৃতীয়বারে সরকারের মেয়াদে এখন যেমন সুযোগ আছে শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন আর মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, তেমনি এই খাতে রয়েছে খানিকটা চ্যালেঞ্জও। যাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোলে সুফল মিলবে।

  • সর্বশেষ