শিরোনাম
◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে বাংলাদেশকে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ◈ ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চকবাজারে আগুনে পোড়া মরদেহ শনাক্ত করছেন দেশের প্রথম নারী ডিএনএ অ্যানালিষ্ট নুসরাত ইয়াসমিন

জাবের হোসেন: ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড বা ডিএনএ। মানুষ কিংবা যেকোন প্রাণীর বংশগতির ধারক জিন যার গাঠনিক একক হলো ডিএনএ। মানবদেহের নানা তথ্য সংরক্ষণ থাকে এই ডিএনএতে। ৮০ দশকের পর থেকেই ডিএনএ নিয়ে বিস্তর গবেষণা শুরু হলেও দেশে ডিএনএ প্রোফাইলিং বা বিন্যাস শুরু হয় ২০০৬ সালে।

চকবাজারের ঘটনায় যে কজনের পরিচয় এখনো মেলেনি তাদের খুঁজে বের করার একমাত্র উপায় ডিএনএ প্রোফাইলিং। যদিও আগুনে পোড়া মরদেহের বেলায় কাজটি খুবই কঠিন। তবে ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে এ কঠিন কাজটিই করে যাচ্ছেন দেশের প্রথম নারী ডিএনএ বিশ্লেষক নুসরাত ইয়াসমিন।

তিনি পাঁচ বছরের পেশাজীবনে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বিশ্বের নানা দেশে। তবে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এর প্রশিক্ষণ মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে তার জীবনের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেওয়া নুসরাত ইয়াসমিন সংসারে তেমন একটা সময় দিতে না পারলেও তাতে কষ্ট নেই তার। কেননা কাজ করছেন দেশের মানুষের জন্য।

চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরকে নুসরাত ইয়াসমিন বলেন, আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেলে ডিএনএ পাওয়া যায় না। কিন্তু পোড়ার পরে যদি কিছু অংশ থাকে সেটা থেকে সনাক্ত করা সম্ভব। আগুনে পোড়াটা হচ্ছে কেমিকেল প্রতিক্রিয়া সুতরাং যে কোন কেমিকেল প্রতিক্রিয়াই বায়োলজিক্যাল নমুনাকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এই কারণে ডিএনএ নমুনা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এ যখন ছিলাম, তখন আমাকে ডিএনএ ডাটা সংগ্রহের যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিলো। সেটার জন্য আমর যে পড়াশোনার থ্রিয়োরি ছিলো সেগুলো এখন আমাকে অনেক সাহায্য করছে। যার ফলে কাজটা করছি ভালোভাবে। এখানে আমরা দিনরাত কাজ করছি। গত দুইদিন ভালোভাবে ঘুমাতেও পারিনি। তবে দেশের মানুষের জন্য কাজ করছি সেটা ভেবে মনে শান্তি পাচ্ছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়