প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেনতা বাড়াতে পুলিশের নানা উদ্যোগ

ইসমাঈল ইমু : মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে পুলিশের পক্ষ থেকে সভা, সমাবেশ, সেমিনার, র‌্যালিসহ নানা উদ্যোগের পরও মাদকের ব্যবহার ও বিক্রি কমছেনা। তবে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে এ প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিভিন্ন সিএনজি অটোরিকশা ও বাসে মাদককে না বলুন লেখা সম্বলিত স্টিকার লাগাতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী স্টিাকার লাগানোর ছবি ফেসবুকে আপলোড করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্টাটাসে তিনি লিখেছেন, ওদের বয়সি অনেকেই মাদক গ্রহন করে নি:শেষ হয়ে যাচ্ছে। ধ্বংস করছে সমাজ, বাবা-মাকে চরম লজ্জায় ফেলছে। নেশায় বুঁদ হয়ে নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অপুরনীয় ক্ষতি করছে দেশের। এটা বুঝতে পরে ওরা ওদের নেশাগ্রস্থ বন্ধুদের একটা বার্তা দিতে চায়। সাথে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার করতে চায়। ওরা নিজেরা মাদক গ্রহন করে না, করবে না, মাদকের বিষয়ে ওরা আজ অঙ্গীকারবদ্ধ। ওরা মাদকের বিস্তাররোধে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাদকবিরোধী ওদের সামগ্রিক কার্যক্রম সেটাই প্রমান করে। ওরা নিজেরা মিলে মাদকের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে কিছু করতে চায়। মাদকের অন্ধকার জগত থেকে বিপদগামীদের ফিরিয়ে আনার জন্য ওদের প্রচেষ্টা অপরিসীম। ওদের আকুতি, অন্তত একজনও যদি ওদের প্রচেষ্টায় ভাল হয়ে যায়, মাদককে ঘৃনা করে, মাদক ছেড়ে দেয়, তাতেই ওদের স্বার্থকতা। ওদের আনন্দ। ওদের মহৎ উদ্দেশ্য সফল হবে ইনশাল্লাহ। ওদের পাশেই আছি, থাকতে চাই আজীবন। ওদের মতই বলতে চাই- করছি দৃঢ় অঙ্গীকার মাদক নির্মূল হবেই এবার।

এদিকে প্রায় প্রতিদিনই ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় উঠান বৈঠক, সভা ও সেমিনার চলছেই। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, মাদক বিরোর্ধ সংগঠন একযোগে কাজ করছে। এরপরও মহানগরীর পুরনো মাদক স্পটে মাদক প্রকাশ্যে বিক্রি না হলেও মুঠোফোনে চলছে ব্যবসা। পুরনো বিক্রেতাদের বেশিরভাগই কারাগারে। আবার অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। তবে বর্তমানে আগের স্পটে মাদক স¤্রাটদের যারা ফুট ফরমায়েশ খাটতো তারাই এখন গোপনে ব্যবসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অপরদিকে পুলিশও প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযানে ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের হেফাজত কাছ থেকে ৪৭৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫১৬ গ্রাম ৮০৫ পুরিয়া হেরোইন, ৪৭০ গ্রাম গাঁজা ও ৬ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত