শিরোনাম
◈ দুর্গাপূজার ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যে নতুন নির্দেশনা ◈ ক্রিকে‌টের তিন মোড়‌লের আপত্তিতে বিশ্ব ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে সরে এসে‌ছে আইসিসি ◈ ভারতের গোয়েন্দা বিমান গোপনে ঢুকে পড়েছিল পাকিস্তানে, ৬৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ম্যাক ২.৪ গতির সেই রহস্যময় অভিযান! ◈ ‘দিন যাচ্ছে, বাজার খরচ বাড়ছে’: সবজির চড়া দামে বিপাকে রাজধানীবাসী ◈ কোচ বললেন অ‌ভিমা‌নের কিছু নেই, রোনা‌ল্ডোর জন‌্য দরজা খোলা, জিদান বললেন—এ বিদায় মেনে নেওয়া যায় না ◈ সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্ক ◈ অব্যবস্থাপনায় শাহজালাল বিমানবন্দরে বাড়ছে ভোগান্তি ◈ কেন বিশ্বের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বঙ্গোপসাগর ◈ ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি  ◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল
আপডেট : ৩০ জুন, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তরুণের পেট থেকে বের করা হলো দুই কেজি সিমেন্ট

মাহাদী আহমেদ : বাবার কথাতে রাগ করে অনেক ছেলে-মেয়ে খাওয়া-ধাওয়া বন্ধ করে দেন। অনেকে খুব বেশি অভিমান করে বিষ বা কীটনাশট খেয়ে বা অন্য উপায়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু রাগ করে কেউ কখনো গোলা সিমেন্ট খেয়েছেন, তা কি শুনেছেন? হ্যা, এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়খণ্ডে এমন ঘটনাই ঘটেছে। বাবার সঙ্গে রাগ করে তরুণ ছেলে খেয়েছেন সিমেন্ট।

ঘটনার পাঁচ দিন পর, বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) দুপুরে দেড় ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করে ওই ছেলের পাকস্থলী থেকে প্রায় দু’কিলোগ্রাম ওজনের জমা সিমেন্ট বের করেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল সুপার উৎপল বলেন, ‘চুল খাওয়া, মাটি খাওয়ার রোগী দেখেছি। কিন্তু গোলা সিমেন্ট খাওয়ার ঘটনা কখনও শুনিনি। শল্য বিভাগের চিকিৎসকরা নথি খুঁজেও ওই রকম রোগীর সন্ধান পাননি!’

অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসক মধুসূদন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘রোগীর অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। এ ধরণের রোগী আগে পাওয়া যায়নি বলে বাস্তবিক ভাবে অস্ত্রোপচার কঠিন ছিল।
পাকস্থলীর ভেতর জমাট সিমেন্ট কী অবস্থায় রয়েছে বারবার দেখার পর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’ হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯ বছরের যুবক বিকাশ পালের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়খ-ের পাকুড় জেলার পশ্চিম মহেশডাঙা গ্রামের বাবুদহে।

শনিবার সকালে বাবার সঙ্গে ঝগড়ার পরে বাড়ির উঠোনে বালতিতে রাখা গোলা সিমেন্ট পরপর কয়েক গ্লাস খেয়ে নেন ওই যুবক। কিছুক্ষণ পর থেকেই পেট ব্যথা ও শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।

বিকাশের বাবা ধীরেনবাবু ভাস্কর্য শিল্পী। বিকাশও বাবার সঙ্গে ওই কাজ করেন। কিন্তু শনিবার বিকাশ কাজ করতে নিমরাজি থাকায় ধীরেনবাবু ভর্ৎসনা করেন তাকে। তারপরেই গোলা সিমেন্ট খেয়ে নেয় বিকাশ। রেখাদেবী বলেন, ‘একের পর এক হাসপাতাল আমাদের অন্যত্র পাঠানোয় ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’

পরিবারের দাবি, বিকাশকে প্রথমে বীরভূমের মুরারই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, রোগীর অবস্থা ভালো নয়। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। রোববারই বিকাশকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক তথা অধ্যাপক স্নেহাংশু পানের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করানো হয়।
স্নেহাংশু পান বলেন, ভর্তি করার পর নানা পরীক্ষা করে দেখা যায়, অস্ত্রোপচার ছাড়া কোনো উপায় নেই। অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিকাশ। সূত্র : আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ