শিরোনাম
◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ ◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রামবাসী বানাচ্ছে হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতু

ডেস্ক রিপোর্ট  : চারপাশে বাওড়বেস্টিত গ্রাম। অনেক বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের থেকে বিচ্ছিন্ন। এই গ্রামের মানুষ স্থানীয় উদ্ভাবন আর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এখন বাওড়টির ওপর তৈরি করছে এক হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতু।

যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। দেশ অনেক দিক থেকে উন্নতির মুখ দেখলেও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখনো সমস্যা প্রকট, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকা গুলোতে। এই সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ পেতে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ। আর তাই অনেক সমস্যা ব্যক্তি বা দলগত উদ্যোগে সমাধান হয়। তারই জ্বলন্ত প্রমাণ দিলেন যশোরের মণিরামপুরের ঝাঁপা গ্রামের মানুষ।

এক হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতর জন্য গ্রামবাসী ব্যবহার করছেন লোহার বার ও প্লাস্টিকের ড্রাম। ২০ ফুট বাই আট ফুট একটা ফ্রেম তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে ৩২ জন লোক উঠিয়ে দেখা যায় যে সেটা ভাসমান থাকছে। সেই থেকে এই সেতু তৈরির পরিকল্পনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেতু তৈরিতে মোট ৮৩৯টি প্লাস্টিকের ফাঁকা ড্রাম, ৩৪ টন লোহা ব্যবহার হচ্ছে । সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগ আর অর্থায়নে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে তৈরি হওয়া এই সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি টাকা। মোট ৬০ জন সদস্য ভাগাভাগ করে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

এই বছরের আগস্টে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আগামী বছরের জানুয়ারিতে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী সবাই। সেই সঙ্গে ঝাঁপা গ্রামের ১৫ হাজার মানুষের যোগাযোগ সমস্যা দূর হবে।

সূত্র: বিবিসি

  • সর্বশেষ