শিরোনাম
◈ জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী ◈ পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার ◈ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইক‌মিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ ৮৪৫ কোটি টাকায় বার্সেলোনায় রদ্রি ◈ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ চার রুটে লংমার্চ, সর্বাত্মক সফলতার আহ্বান জামায়াতের ◈ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ প্রিন্স সালমানের ◈ কৃষিতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের বাধ্যবাধকতা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ হাম উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৭ জনের ◈ জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রামবাসী বানাচ্ছে হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতু

ডেস্ক রিপোর্ট  : চারপাশে বাওড়বেস্টিত গ্রাম। অনেক বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের থেকে বিচ্ছিন্ন। এই গ্রামের মানুষ স্থানীয় উদ্ভাবন আর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এখন বাওড়টির ওপর তৈরি করছে এক হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতু।

যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। দেশ অনেক দিক থেকে উন্নতির মুখ দেখলেও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখনো সমস্যা প্রকট, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকা গুলোতে। এই সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ পেতে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ। আর তাই অনেক সমস্যা ব্যক্তি বা দলগত উদ্যোগে সমাধান হয়। তারই জ্বলন্ত প্রমাণ দিলেন যশোরের মণিরামপুরের ঝাঁপা গ্রামের মানুষ।

এক হাজার ফুট দীর্ঘ ভাসমান সেতর জন্য গ্রামবাসী ব্যবহার করছেন লোহার বার ও প্লাস্টিকের ড্রাম। ২০ ফুট বাই আট ফুট একটা ফ্রেম তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে ৩২ জন লোক উঠিয়ে দেখা যায় যে সেটা ভাসমান থাকছে। সেই থেকে এই সেতু তৈরির পরিকল্পনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেতু তৈরিতে মোট ৮৩৯টি প্লাস্টিকের ফাঁকা ড্রাম, ৩৪ টন লোহা ব্যবহার হচ্ছে । সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগ আর অর্থায়নে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে তৈরি হওয়া এই সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি টাকা। মোট ৬০ জন সদস্য ভাগাভাগ করে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

এই বছরের আগস্টে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আগামী বছরের জানুয়ারিতে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী সবাই। সেই সঙ্গে ঝাঁপা গ্রামের ১৫ হাজার মানুষের যোগাযোগ সমস্যা দূর হবে।

সূত্র: বিবিসি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়