শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, ইউরোপে কমছে চাহিদা ও আয় ◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টার হলে হয়ত আরো বেশি কাজ করা যেত, দায়িত্বের একটা চাপ অসম্ভবভাবে অনুভব করছি: তারেক রহমান  ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১১:৪০ দুপুর
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭, ১১:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে ফেরত নিতে যুক্তরাষ্ট্রের আহবান

রাশিদ রিয়াজ : মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার মত উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি এমন বক্তব্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের কাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের দেশটিতে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে ফেরত যেতে পরিবেশ তৈরির আহবান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হিদার নুরেট এ ধরনের আহবান জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে কি ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তা দেখতে চাই। আমরা এধরনের পরিকল্পনার কথা শুনেছি কিন্তু তারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজদেশে ফিরে যেতে পারছে কি না তা গুরুত্বপূর্ণ।

হিদার নুরেট ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের বলেন, অবশ্যই রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায় তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে সে নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তারা যাতে উপলব্ধি করতে পারে যে তাদের ঘরবাড়িতে ফেরত যাওয়া নিরাপদ। যদি তা না হয় তাহলে বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারবে না। এবং সম্ভবত সে পরিবেশ এখনো হয়নি। আর কোনো শরণার্থীকে এক দেশ থেকে আরেক দেশে জোর করে ফেরত পাঠানো সঠিক নয়। তারা নিরাপদ বোধ করলে এমনিতেই নিজ দেশে ফেরত যাবে।

তিনি বলেন, ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গ মুসলমান গত আগস্টের পর বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এখন ডিসেম্বর চলছে। আমরা আশা করি মিয়ানমারে তারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে পারবে। বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিয়ে এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। ফার্স্টপোস্ট

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়