শিরোনাম
◈ যুক্তরাস্ট্র ও ইসরা‌য়েল শাসকগোষ্ঠীর ওপর আঘাত হানায় অ‌নেক ইরা‌নি খু‌শি হন, ত‌বে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত তারা ◈ শ্বাসরুদ্ধকর ম‌্যা‌চে ইন্টার মিলান‌কে হারা‌লো এসি মিলান ◈ ডগ স্কোয়াড-হেলিকপ্টারসহ সলিমপুর জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান (ভিডিও) ◈ মঙ্গলবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু, যারা পাবেন ◈ জ্বালানির ঘাটতি মেটাতে আড়াই হাজার কোটি টাকার ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার ◈ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে আইসিসি সভা স্থগিত  ◈ ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে তেলের দাম ছাড়ালো ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ◈ সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ ইরানি নাবিকদের জন্য এক মাসের ফ্রি ভিসা দিবে শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২৪, ০৯:৫৪ রাত
আপডেট : ১৯ মে, ২০২৪, ০২:৫২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং লাইটিং পণ্যের বাজারে দেশীয় কোম্পানির আধিপত্য

মনজুর এ আজিজ: [২] ইলেক্ট্রিক্যাল এবং লাইটিং পণ্যের বাজারে দেশীয় কোম্পানির আধিপত্য বিস্তার করছে বলে সম্প্রতি 'মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশ' (এমডব্লিউবি)’র দেশব্যাপী এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের এমডব্লিউবির গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন- মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এবং অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ড.এ বি এম শহীদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম।

[৩] গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষণার আওতায় আনা পণ্যগুলো ছিল- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, মাল্টি-প্লাগ, সার্কিট ব্রেকার, মিটার এবং বিভিন্ন হালকা পণ্য যেমন এলইডি লাক্স, এলইডি টিউব, এলইডি প্যানেল, ব্র্যাকেট এলইডি, জিএলএস, এনার্জি এফিশিয়েন্সি বাল্ব, ইমার্জেন্সি লাইটিং অপশনস।

[৪] প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি বড় এবং সম্ভাবনাময় শিল্প। বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতা এবং ২৫০০ উদ্যোক্তাসহ মোট ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। দুই ক্যাটাগরির পণ্যের সম্মিলিত বাজার প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ৩,৩০০ কোটি এবং লাইটিং পণ্যের বাজার ২,৭০০ কোটি টাকা। ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ও লাইটিং পণ্যের গড় প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১০% এবং ১৩%।

[৫] গবেষণায় দেখা যায়, দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপারস্টার গ্রুপ উভয় প্রকার পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে শীর্ষস্থান দখল করে আছে। ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ব্যান্ডেড পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপার স্টার ২৯ শতাংশ, ওয়ালটন ১৭ শতাংশ, ক্লিক ১৭ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৯ শতাংশ, ওসাকা এবং ব্লিঙ্ক, এমইপি ও লাক্সারি প্রত্যেকে ৩ শতাংশ করে বাজার দখল করে আছে। অন্যদিকে ব্রান্ডেড লাইটিং পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপার স্টার ২৫.৫৯ শতাংশ, ক্লিক ১৩ শতাংশ, ওয়ালটন ১২ শতাংশ, ট্রান্সটেক ১০ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৮ শতাংশ এবং ফিলিপস ৭ শতাংশ বাজার দখল করে আছে।

[৬] এই শিল্পের অগ্রগতির পেছনে মূলত গত ২৫ বছরে ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, অব্যাহত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান আয়, দ্রুত ও পরিকল্পিত নগরায়ণ, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং সরকারের গৃহীত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ামক হিসাবে কাজ করেছে। সম্ভাবনাময় এই শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করতে সরকারের বিদ্যমান ট্যাক্স পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে। সম্পাদনা: কামরুজ্জামান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়