শিরোনাম
◈ আজ রাতের মধ্যেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালুর চেষ্টা চলছে: জুনাইদ আহমেদ পলক ◈ হুতি-ইসরাইল মধ্যে উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের শঙ্কা ◈ চলমান সহিংসতা ক্ষতির মুখে রফতানি আয়, যা বললেন অর্থনীতিবিদরা ◈ দুর্যোগ ভবনে চালানো তাণ্ডবে ‘পুড়েছে ৫৩ গাড়িসহ মূল্যবান জিনিসপত্র’ ◈ প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন বাইডেন, কামালা হ্যারিসের নাম প্রস্তাব ◈ বাড়তে পারে সাধারণ ছুটি, তৃতীয় দিনের মত কারফিউ চলছে ◈ শীর্ষ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ◈ ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় আটকে পড়েছে মানুষের জীবন-জীবিকাও ◈ আমির খসরু মাহমুদ, নিপুণ রায় ও নুরুল হক পাঁচ দিনের রিমান্ডে ◈ ২ ঘণ্টার জন্য শিথিলের পর বিকাল ৫টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আবারও কারফিউ শুরু

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৩, ০৪:০৬ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৩, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ষোল বছর পর জাদুঘরে গিয়ে নিজের হৃৎপিণ্ড দেখলেন ব্রিটেনের তরুণী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৃটেনের বাসিন্দা জেনিফার সাটন। বয়স ৩৮ বছর। যার হৃদপিণ্ডটি সংরক্ষিত আছে লন্ডনের হান্টেরিয়ান জাদুঘরে। টাইমস নাউ নিউজ

খবরে বলা হয়, ১৬ বছর আগে জেনিফারের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এরপর তার হৃদপিণ্ডটি সংরক্ষণ করা হয় জাদুঘরে। জেনিফারের বয়স যখন ২২ তখন ‘কার্ডিয়োমায়োপ্যাথি’ নামে এক বিরল রোগে আক্রান্ত হন তিনি। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর হৎপিণ্ড কার্যক্ষমতা হারায়। রক্ত সঞ্চালন বন্ধ করে দেয়। জেনিফারেরও তাই হয়েছিল। এছাড়া বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছি তার। ডাক্তাররা তখন জানিয়েছিলেন, হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন ছাড়া এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম। 

তবে প্রথমে এতে রাজি ছিলেন না জেনিফার। কারণ তার মায়েরও একই সমস্যা ছিল। হৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করাতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। কিন্তু সুস্থ হতে হৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না জেনিফারের কাছে। তাই আত্মীয়স্বজনের জোরাজুরিতে হৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করাতে রাজি হন জেনিফার।

পরে জেনিফারের সফল অস্ত্রপচার করা হয়। অপারেশনের পর তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর তার আগের হৃৎপিণ্ডটি সংরক্ষণ করা হয় জাদুঘরে। এবার নিজের সেই হৃৎপিণ্ড স্বচক্ষে দেখতে যান জাদুঘরে। 

দ্য ইয়ন জানায়, জেনিফার বলেছেন, হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পর আমার অনুভূতি অন্যরকম ছিল। একজন সুস্থ মানুষের অনুভূতি আমি তখন বুঝতে পারি। কখনও ভাবিনি যে এমন কোনো অভিজ্ঞতা আমার হবে। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

টিএবি/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়