শিরোনাম

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২২, ০৭:৫২ বিকাল
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২২, ১২:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে যাচ্ছে না বিএনপি

বিএনপি

খালিদ আহমেদ: স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিএনপির সাত নেতাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল সরকার; তবে এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে দলটি।বুধবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা মানুষ হত্যা করে, বিশিষ্টদের চুবিয়ে মারতে চান; তাদের আমন্ত্রণে বিএনপি নেতাকর্মীরা যাবেন না।’

২৫ জুন হতে যাচ্ছে প্রমত্ত পদ্মার বুকে গড়ে ওঠা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতু উদ্বোধন করবেন। এর পরদিন সেতুতে যানবাহন চলাচল করবে।

এর আগে এদিনই বেলা ১১টার দিকে প্রমত্ত পদ্মার বুকে গড়ে ওঠা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিএনপির সাত নেতাকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ। তবে আমন্ত্রণের কার্ড পাননি দলের চেয়ারপারসন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া।

সেতু বিভাগের উপসচিব দুলাল চন্দ্র সূত্রধর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন। আমন্ত্রিত বিএনপির সাত নেতার মধ্যে নাম নেই রিজভীরও।

যে সাত নেতা আমন্ত্রণ পেয়েছেন তারা হলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে কোনো মন্তব্য আসেনি সেতু বিভাগ থেকে। অবশ্য গত ৫ জুন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন, দুর্নীতির দুই মামলার সাজা স্থগিত হওয়ার পর শর্ত সাপেক্ষে কারাগারের বাইরে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিতে আইনি কোনো বাধা নেই।

এই সেতু নিয়ে নানা সময় নেতিবাচক মন্তব্য করার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সেতুতে নিয়ে টুস করে ফেলে দেয়ার কথা বলে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই মন্তব্যের কারণে বিএনপি বিক্ষোভও করেছে।

দেশের সবচেয়ে বড় এই সেতু উদ্বোধনের আয়োজনটি জমকালো করতে চাইছে সরকার। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার নানা বাধা অতিক্রম করে এ সেতুটি নির্মাণ করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়