শিরোনাম
◈ সরকারের কাছে 'আট দফা দাবি' কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ◈ শুক্রবারের সহিংসতায় ঢাকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে ◈ এটা অবশ্যই কারফিউ, এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে: ওবায়দুল কাদের ◈ কারফিউ’র পরিপত্র জারি ◈ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কোটা আন্দোলনকারীদের ◈ ওবায়দুল কাদের কারফিউ জারি প্রসঙ্গে যা বললেন ◈ সারা দেশে কারফিউ জারি, সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ◈ নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর বের হয়ে গেছে কয়েকশ কয়েদি ◈ বাংলাদেশে সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ ◈ রাজধানীর উত্তরা, মোহাম্মদপুর, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৩, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৩, ০৭:৩৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারের দ্বিমুখী নীতি দেশকে লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছে: আযম খান

রিয়াদ হাসান: বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিরাজুল আলম খানের মৃত্যুতে সরকারের কোনো উদ্যোগ ও আয়োজন দেখিনি। অথচ সরকার বলে বেড়ায় তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে। সরকারের এ দ্বিমুখী নীতি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে দেশকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটের অধিকার লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে।

শনিবার (১০ জুন) খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, আব্দুস সালাম পিন্টু ও লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ফরমায়েশি সাজা বাতিল এবং ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরাম।

আহমেদ আযম খান বলেন, সরকারের এক মন্ত্রী বলেন, আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। সরকারের আরেক সিনিয়র নেতা বলেন, জাতিসংঘের মধ্য দিয়ে আমরা আলোচনা চাই। সরকারের মুখপাত্র ওবায়দুল কাদের আবার বলেন, এগুলো কোনো কথা নয়, আলোচনা হবে না। সরকারের ভেতরে আসলে কাঁপন ধরে গেছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের আইনমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন একটি প্রস্তাব দিয়েছে, নির্বাচনের আগে আর যেন কোনো হয়রানিমূলক মামলা না হয়।

আইনমন্ত্রীর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সরকার প্রমাণ করে দিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির ৪১ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আগে যেসব মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক গায়েবি মামলা।

বিএনপি এই নেতা বলেন, আজকে দেশে গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। এ কারণে রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। শহর-গ্রামে মানুষ রান্না করতে পারছে না। পানির সংকট হচ্ছে। দেশের মানুষকে এমন বিপদে ফেলে আপনাদের (সরকার) সঙ্গে সংলাপে গিয়ে বিএনপি জাতির সঙ্গে বেঈমানি করবে না। আমরা জাতির সঙ্গে আছি, জাতির সঙ্গে থাকবো। আপনারা জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতা পদত্যাগ করুন।

বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামে সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক এম নাজমুল হাসান ও মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ। সম্পাদনা: শামসুল হক বসুনিয়া

আরএইচ/এসএইচবি/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়