শিরোনাম

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৫:২১ বিকাল
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৫:২১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে এখন নাৎসীবাদের জয়জয়কার: রিজভী

রুহুল কবির রিজভী আহমেদ

শাখাওয়াত মুকুল : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ব্যক্তিকেন্দ্রীক একনায়কতান্ত্রিক শাসনের দুঃসহ পরিণতি এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্রই দৃশ্যমান। রক্তপাত ছাড়া এই সরকারের আর কোন অবলম্বন নেই। দেশে এখন নাৎসীবাদের জয়জয়কার দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার(২২সেটেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন তিনি।  

রিজভী আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতাসীন হয়ে আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রের ভিত্তির ওপর ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে। বাংলাদেশ এখন দুঃসময় পার করছে। এরা রাষ্ট্রশক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রসমাজে বিভেদ-বিভাজনের মাধ্যমে চরম মেরুকরণ করেছে। একনায়কতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্যই রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখ থুবড়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, বাকশালী ইতিহাসের পূণর্লিখনে নতুন অধ্যায় যুক্ত হচ্ছে। বিচার, প্রশাসন, সংসদ, নির্বাচন কমিশন সবাই মুখোশের আড়ালে বাকশালী চেতনা ধারণ করে আওয়ামী সরকারের পক্ষে কাজ করে চলছে। তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহনশীলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অচেনা করে তুলছে।

রিজভী বলেন, বিরোধী রাজনীতির কর্মসূচিতে সহিংস আক্রমণ কোন গণতান্ত্রিক রীতির আওতায় পড়ে ? যদিও গণতন্ত্রের কথা প্রায়শ:ই ক্ষমতাসীনদের মুখে খৈ ফোটে। আমরা আওয়ামী গণতন্ত্রের আরেকটি নমূনা দেখলাম-গতকাল মুন্সিগঞ্জে পুলিশের সহিংস তান্ডবে। পুলিশ এবং পুলিশের ভেতর থেকে খালি গায়ে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে বৃষ্টির মতো গুলি করছিল বিএনপির সমাবেশে, তারা কারা ?


তিনি আরো বলেন, গতকাল মুন্সিগঞ্জ সদর থানার মুক্তারপুরে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পরিকল্পিত গুলিবর্ষণ ও গুরুতর আহত করাসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনার পর পুলিশ এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যৌথভাবে গতরাত থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীদের বাসা ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তান্ডবলীলা চালাচ্ছে।

আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডার মোঃ মাসুদ, মুসা ও তোফাজ্জল নেতত্বে ১৫/২০ জন এর সঙ্গে তিনজন পুলিশ সদস্যসহ একটি দল গতরাতে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক আঃ হাই সাহেবের ভাগিনা মোঃ নিজাম উদ্দিন এর শিল্প প্রতিষ্ঠান ও তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে তার সুতার ফাক্টরি সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। এতে আনুমানিক ২ থেকে ২.২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

অন্যদিকে গতকাল দিবাগত রাতে আওয়ামী লীগের লোকজন আঃ হাই সাহেবের পঞ্চসার ইউনিয়নের বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও হুমকি প্রদান করে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, অধিকাংশ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এখন বাড়ি ছাড়া। ইতোমধ্যে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার জন্য উল্টো হামলার শিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ, শহর বিএনপির আহবায়ক এরাদত হোসেন মানু, সদর থানা বিএনপির সদস্য সচিব মুনির হোসেন ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আতাউর হোসেন বাবুলসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে।  এসব ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়