শিরোনাম
◈ কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩৯০ কোটি টাকা দেবে কানাডা ◈ মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু ◈ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে বিস্তারিত যে তথ্য চাইলো ঢাকা ◈ মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মিয়ামির দাপু‌টে জয় ◈ চিকিৎসা নিতে এসে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ঢামেকের রোগীরা ◈ ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি ◈ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যেভাবে মিলবে ◈ বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ মাতারবাড়ী বন্দরকে শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় জাপান, যুক্ত হবে ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল ◈ নুডলস খেয়ে নয় যে কারণে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৩, ১২:৩৩ রাত
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৩, ১১:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্রীতদাস প্রথা এবং মানব ইতিহাসের অন্ধকার যুগ

ফাইল ছবি

সভ্যতার সৃষ্টির পরপরই সামাজিক ব্যাধির মতো চালু হয় ক্রীতদাস প্রথা। এরপর সময় যতো গড়িয়েছে, বেড়েছে তাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতনের পরিমাণ। মানুষ হিসেবে নূন্যতম অধিকার কেড়ে নিয়ে এক অভিশপ্ত জীবনে ঠেলে দেওয়া হতো এসব ক্রীতদাসদের। পশুর মতোই ‘পোষ্য’ হিসেবে মনে করা হতো তাদের।

ক্রীতদাস প্রথার ইতিহাস অতি প্রাচীন। যতদূর জানা যায়, খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩০০০ সালে মেসোপটেমিয়ায় প্রথম ক্রীতদাস প্রথার চালু। তারও হাজার খানেক বছর পর থেকে এই প্রথা ছড়িয়ে পড়ে মিশর আর ভারতে। তারও অনেক অনেক পরে চীনে জাঁকিয়ে বসে অমানবিক এই প্রথা । ৮০০ থেকে ৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিসে এবং ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমে শুরু হয় ক্রীতদাস প্রথার যে চিত্রটির সাথে আমরা সাধারণভাবে পরিচিত তার জয়যাত্রা। এ যেন সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে অসভ্যতার আর অমানবিকতার শীর্ষে উঠবার প্রক্রিয়া। এভাবে প্রায় পুরো বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ে ক্রীতদাস প্রথা। ওদের কান্না ধ্বনিত হতে থাকে সবখানে, সবসময়। ক্রীতদাস প্রথার প্রথমদিকে এর বিস্তার ছিল কম। উৎপাদনের মূল চালিকা তখনও হয়ে ওঠেনি ক্রীতদাসেরা, দাস বেচাকেনার ব্যবসাটিও শুরু হয়েছে অনেক পরে। কিন্তু মানুষ বরাবরই ভীষণ ‘বুদ্ধিমান’-অমানবিকতার নতুন নতুন কৌশল শিখে নিতে একটুও দেরি হয়নি আমাদের ।

১৪৯৪ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস পাঁচশো রেডইন্ডিয়ানকে দাস করে পাঠিয়েছিলেন স্পেনের রানী ইসাবেলাকে। ওদের বদলে চেয়েছিলেন শূকর! রানী ইসাবেলা ছিলেন অবশ্য কোমল মনের মানুষ। তিনি এহেন প্রস্তাবে রাজি হননি, ক্রীতদাসদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাবার ব্যবস্থা করেছিলেন। ১৭০০ সালে গিনিতে স্পেন আর পর্তুগালরা তো রীতিমত কোম্পানি খুলে বসেছিল, আমেরিকান আর ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে বছরে দশ হাজার টন দাস সরবরাহ করবে বলে! মানà