শিরোনাম
◈ ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞে চুপ থেকে বিএনপি-জামায়াত গাজায় গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘেরও ১৫ বছর আগে শিশু আইন প্রণয়ন করেন: আইনমন্ত্রী  ◈ বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচের সময় চূড়ান্ত করলো বিসিবি ◈ সাবেক স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ চিকিৎসক লতা মারা গেছেন ◈ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ঔষধ-পত্র ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৮.৫০ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতেই কার্যকর ◈ ২ দিনের রিমান্ড শেষে ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ কারাগারে ◈ বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ছিটেফোটাও নেই: রিজভী ◈ রমজানে আল-আকসা খোলা রাখতে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ◈ ৪২৪ কোটি টাকার তেল-ডাল-গম কিনছে সরকার

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০১:২২ রাত
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একা একজন স্যার ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করেছেন, বিষয়টি বোধগম্য নয় 

রাহাত মিনহাজ: আমার শিক্ষক, আমাদের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদ স্যারকে নিয়ে বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের নানা অভিযোগ আমাকে ব্যথিত করেছে। শিক্ষার্থীদের প্রধান অভিযোগ অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদ ভাইভাতে নম্বর কম দিয়ে তাদের ফলাফল ধসিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমি যতদূর জানি, ভাইভা বোর্ডে চারজন থাকেন। একা একজন শিক্ষকের পক্ষে কীভাবে, কতোটা ফলাফলে ধস নামানো সম্ভব? আরও একটা অভিযোগ, সমন্বিত কোর্সে স্যার ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর কম দিয়েছেন। 

আমার যতদূর মনে আছে সমন্বিত (Comprehensive) কোর্সটি বিভাগে পড়া সব বিষয়গুলো থেকে প্রশ্ন নিয়ে করা হয়। সম্ভবত এই কোর্সে কোনো ক্লাসও হয় না। তাই সাধারণত এই কোর্সে গড় নম্বর কম ওঠে। আমিও বেশ কম নম্বর পেয়েছিলাম। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের খাতা একজন শিক্ষক দেখেন না। দুজন শিক্ষক আলাদা করে খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর দেন। তারপর নম্বর পার্থক্য বেশি (সম্ভবত ১০ শতাংশ) হলে তা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে যায়। তিনি নতুন করে খাতা দেখেন। নম্বর দেন। তাই একা স্যার ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করেছেন বিষয়টি বোধগম্য নয়। 

আমি মনে করি শিক্ষার্থীরাই বিভাগের প্রাণ। শিক্ষার্থীদের জন্যই বিভাগ। তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে সবার আগে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের যথাযথ সম্মান দেওয়াও প্রয়োজন। বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা যদি অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন বা অপমানজনক আচরণের শিকার হয়ে থাকেন, তারও প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন। তার জন্য নিশ্চয় যথাযথ প্রক্রিয়া আছে। সেটা অবশ্যই দ্রুত করা উচিত। 

বিভাগের অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকদের মতো আমি ড. নাদির জুনাইদ স্যারকেও খুবই সংবেদনশীল, সহযোগিতাপ্রবণ মানুষ হিসেবে জানি। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহে স্যারের বিশেষ আবেগ রয়েছে। যা ভীষণ ইতিবাচক। আমার মনে আছে, আমাদের ক্লাসে স্যার রুমি-বদি-আজাদদের নিয়ে এতো চমৎকার ও তথ্যবহুল লেকচার দিয়েছিলেন, তা আমার মনে স্থায়ি ছাপ তৈরি করেছে। আমার ধারণা চলমান ঘটনায় ড. নাদির জুনাইদ ও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকগণ খুবই কষ্ট পেয়েছেন। যা বিভাগের পাঠদান প্রক্রিয়া ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এই গুমোট অবস্থার অবসান হোক। আমি আমার বিভাগের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়  

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়