শিরোনাম
◈ প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডার: ক্রেনের চালক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ◈ গার্ডার চাপায় নিহতদের ময়নাতদন্ত হবে সোহরাওয়ার্দীর মর্গে ◈ উত্তরায় দুর্ঘটনা: শিশু জাকারিয়া জীবিত ছিল আধাঘণ্টা ◈ পুলিশের উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে: এমপি শম্ভু ◈ রাজধানীতে ক্রেন থেকে রড পড়ে ৫ পথচারী আহত ◈ চকবাজার ও উত্তরার ঘটনায় শোক জানিয়ে তদন্তের দাবি ফখরুলের ◈ মানবাধিকারকর্মীদের কথা শুনলেন জাতিসংঘের মিশেল ব্যাচেলেট ◈ উত্তরায় ক্রেন দুর্ঘটনা: বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি ◈ খায়রুনকে লাথি মেরে সেই রাতে বাইরে যান স্বামী ◈ উত্তরায় প্রাইভেট কারের উপর ফ্লাইওভারের গার্ডার, নিহত ৫ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২২, ১২:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২২, ১২:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোর অঞ্চলে ৬৮ অ‌বৈধ রেলক্রসিং, ঘটেছে দুর্ঘটনা

যশোরে অ‌বৈধ রেলক্রসিং

র‌হিদুল খান: যশোরাঞ্চলে ঝুঁকি নিয়ে ৭৮টি অরক্ষিত রেলক্রসিং দিয়ে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ। এই ৭৮টির মধ্যে ৬৮টির কোনো অনুমোদন নেই। স্থানীয় লোকজন তাদের মতো করে ট্রেন লাইনের ওপর দিয়ে পারাপারের রাস্তা বানিয়ে নিয়েছে। এছাড়া আরও ১০টি গেটে নেই কোনো গেটম্যান। তবে, অরক্ষিত গেটের সংখ্যা আরও বেশি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এসব অবৈধ রেলক্রসিং মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। অরক্ষিত গেট দিয়ে চলাচল করায় বিভিন্ন সময় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ। এসব রেলক্রসিংয়ে গেট নির্মাণ ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও সমস্যা সমাধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে, রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যশোর সাব ডিভিশনের আওতায় খুলনা থেকে যশোরের শানতলা ও বেনাপোল পর্যন্ত ১১১ কিলোমিটার রেললাইন রয়েছে। এই রেললাইনে মোট লেবেল ক্রসিং গেট রয়েছে ১৫২টি। যার মধ্যে ৮৪টির বৈধতা দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এরমধ্যে ১০টিতে  গেট ও গেটম্যান নেই। গেটম্যান না থাকা গেটগুলোর মধ্যে শিরোমনিতে একটি, বেজেরডাঙ্গায় একটি, সিঙ্গিয়া স্টেশনের পাশে একটি, রূপদিয়ায় তিনটি, রাজারহাটে একটি, পুলেরহাটে একটি, ঝিকরগাছায় একটি ও শার্শায় একটি রয়েছে। এছাড়া বাকি ৬৮টি গেটের কোনো বৈধতা নেই। এর মধ্যে যশোর শহরেই রয়েছে অন্তত ১০টি অরক্ষিত গেট। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এ গেটের সংখ্যা। রেলওয়ে সূত্র আরও জানায়, যশোরাঞ্চলে মোট গেটম্যান রয়েছেন ১৬৬জন। তারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযোগ রয়েছে,অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি রেললাইনের ক্রসিং সংলগ্ন জমি অবৈধভাবে দখল করে বাড়ি-ঘর, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। যে কারণে অনেক সময় পথচারী ও যানবাহন চালকদের ট্রেন চলাচল চোখে পড়ে না। এতে করে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। 

এ বিষয়ে যশোর রেলওয়ে সাবডিভিশনের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী ওয়ালি উল হক জানান, লেবেল ক্রসিং গেট নিয়ে তারা সর্বদা সজাগ রয়েছেন। দিনরাত তারা গেটম্যানদের মনিটরিং করেন। তারপরও দিন দিন অবৈধ গেটের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।

অনুমোদনহীন গেট সম্পর্কে তিনি জানান, যেগুলো রয়েছে, সেগুলো অনুমোদিত ও গেটম্যান থাকা গেটের  ১০০ থেকে ১৫০ ফুটের মধ্যেই রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি লেবেল ক্রসিংয়ের আগেই তাদের প্রতীক দেয়া রয়েছে। ট্রেন চালকদের ওই প্রতীক দেখে হুইসেল বাজানোর নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে সমাধানের জন্য তারা নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। যা শিগগির বাস্তবায়ন করা হবে। সম্পাদনা: হ্যাপী

  • সর্বশেষ