শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২২, ০২:১০ রাত
আপডেট : ২৭ মে, ২০২২, ০২:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে যাবে না, হতেও দেবে না, পরের কথাটা কী!

রবিউল আলম

রবিউল আলম: চেয়ার আছে, পার্সন এখন চেয়ারে নেই। নেতা আছেন, দেশে নেই। নির্দেশনা কার, তাও জনগণের জানা নেই। বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে যাবে না, ক্ষমতায় যাওয়ার বিকল্প পথের সন্ধান জনগণকে দিতে পারছে না। দিনের ভোট নাকি রাতে হয়, ইভিএমএ ভোট নাকি সব নৌকার হয়ে যায়। জনগণের ভোট রক্ষা করার ক্ষমতা না থাকলে রাজনীতি করার অধিকার আপনাদের কে দিলো? নিজেদের লজ্জা ঢাকার জন্যও কি আওয়ামী লীগের দারস্থ হতে হবে? নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না, এই কথাটা কার? যে কথা সংবিধানের অধীনে পরে না।

র‌্যার পুলিশ, সেনা বাহিনী জনগণের অধীনে। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা নির্বাচন, তা হতে না দিলে সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হবে কীভাবে? বিকল্প কোনো প্রদ্ধতি আবিষ্কার হয়ে থাকলে জনগণের সাথে শেয়ার করতে পারেন। তা না করে নির্বাচনে যাবেন না, হতেও দিবেন না, কোন অলৌকিক শক্তির বলে? তবে কি কানাডার আদালতের দেওয়া সন্ত্রাসী দলের খেতাব  সত্য প্রমাণ করেই ছাড়বেন? সত্তরের নির্বাচন পাকিস্তান সরকারের অধীনেই হয়েছিলো। জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকেই বেছে নিয়েছে। অধিকার আদায়ের জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলো, বুকের রক্ত বিলিয়ে দিতে কার্পণ্য করেনি, অধিকার আদায় করে নিতে হয়। 

শ্রীলঙ্কার জনগণকে দেখেও কি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন না?  আপনারা খালেদা জিয়ার বাড়ি, তারেক রহমান মুক্তির ছাড়া আর কোনো রাজনীতি জানেন না? জনগণ আপনাদের বিশ্বাস করবে কেন? জনগণের কথা যারা বলে, জনগণের জন্য যারা কাজ করে, জনগণের বুকের রক্ত একমাত্র তাদের জন্য ২০১৪, ২০১৮ সালে আপনাদের হুংকারের জবাব জনগণ বুঝিয়ে দিয়েছিলো। ২০২৩ সালের জবাবটা আরো কঠিন হতে পারে বলেই কি নির্বাচনে যাবেন না? লেখক: মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়