শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২২, ০১:২১ রাত
আপডেট : ২৪ মে, ২০২২, ০১:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুজিব: দ্য মেকিং অফ অ্যা নেশন’ ও শ্যাম বেনেগাল

ফরিদুর রহমান

ফরিদুর রহমান: শ্যাম বেনেগাল আমার সরাসরি শিক্ষক নন। ১৯৮৫ সালে আমি যখন পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়ায় পড়তে যাই তার অনেক আগেই তিনি এফটিআইআই ছেড়ে সার্বক্ষণিক চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেছেন। আবার আমি ইন্সটিটিউট ছেড়ে আসার পরের বছর তিনি পরিচালক হিসাবে এফটিআইআইতে যোগ দিয়েছেন। তবে আমার শিক্ষক না হলেও শ্যাম বেনেগাল আমাদের সময়ের অনেক শিক্ষকেরই শিক্ষক। সন্দেহ নেই তিনি অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভালো ছবির নির্মাতা। 

‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ অ্যা নেশন’ ছবির পরিচালক হিসাবে শ্যাম বেনেগাল বলেছেন, ‘You cannot pass a comment on a film by seeing a 90-second trailer. You can comment on just the trailer.’ কিন্তু বাস্তবতা হলো এই ট্রেইলার আমাকে ছবিটি দেখতে নিরুৎসাহিত করেছে। চলচ্চিত্রের ছাত্র হিসাবে নয়, একজন দর্শক হিসাবে, বিশেষ করে স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেওয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে এই ৯০ সেকেন্ডে যে সকল ঐতিহাসিক ত্রুটি বিচ্যুতি আমার চোখে পড়েছে তা রীতিমতো হতাশাব্যঞ্জক।

সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠতে পারে একজন মহান নেতার জীবন ভিত্তিক ব্যয়বহুল চলচ্চিত্রটি নির্মাণের ক্ষেত্রে কি যথেষ্ট গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল? চরিত্র নির্বাচনে অভিনেতার অবয়ব ও বহিরাঙ্গের পাশাপাশি তার মনোজাগতিক ও ইমোশনাল ইনভলবমেন্টের কথা ভাবা হয়েছিল? বাস্তবানুগ লোকেশন ও সময়োচিত প্রপসের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছিল, নাকি সিএসও এবং ভিএফএক্স দিয়ে দায়সারা কাজ সম্পন্ন করাই উদ্দেশ্য ছিল? সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের ‘মূল স্পিরিট’ কি তাঁরা ধরতে পেরেছিলেন? আমাদের দুর্ভাগ্য, বঙ্গবন্ধুকে যিনি চিনতেন ও জানতেন, তাঁর ভাষায় যিনি কথা বলেন এবং তাঁর আবেগ অনুভূতি ধারণ করেন, তেমন একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে আমাদের দেশে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়