শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২২, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ২৪ মে, ২০২২, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুরুষ পশুর স্তর থেকে ঠিক উঠতে পারেনি

সৈয়দা সাজিয়া আফরিন

সৈয়দা সাজিয়া আফরিন: যৌন পীড়নের বর্ণনায় পুরুষ উত্তেজনা পায়। পোশাকের উপর থেকে শরীর দেখেও পুরুষ উত্তেজনা পায়। নারীর খোলা বুকে পুরুষ উত্তেজনা পায়। অথচ সেইটা তার জন্মখাবার। নারীর শরীরজুড়েই পুরুষের জন্মের ইতিহাস। ঈশ্বরের পর পুরুষের দ্বিতীয় প্রার্থনার সম্মানে নারীর অধিকার। মায়ের সম্মান দিয়ে ধর্মগ্রন্থগুলাও এইটাই বলতে চেয়েছে। পুরুষ নারী ধর্ষণ করে। পুরুষ পুরুষকেও ধর্ষণ করে। উত্তেজনার জন্য তাদের ভালোবাসার প্রয়োজন হয় না। তাই যেকোনো নারীর নগ্ন দেহে, বা নারীর মতো কোমল পুরুষের দেহেও কেবল যৌনতাই খোঁজে। পুরুষ পশুর স্তর থেকে ঠিক উঠতে পারেনি। সন্তান নারী ধারণ করবে, বুকের দুধও নারী খাওয়াবে। আবার লালন-পালনও নারীই করবে। এখানে পুরুষ কই, তার কাজ কী? একদিন বা পাঁচদিনের যৌনতা ছাড়া জন্ম প্রক্রিয়ায় তার আর কোনো ভূমিকা নেই।

অর্থনৈতিক যে ভূমিকা পুরুষ পালন করে, সেটাও এখন আর সর্বজনীন না। তাই প্রকৃতির নিয়মের মধ্যে পুরুষের প্রয়োজনীয়তা কমে যাচ্ছে। ব্যপারটা শুধু বীর্যদানের ব্যপার হলে রবীন্দ্রনাথ, ঈশ্বরচন্দ্র ওদের বীর্য নেওয়া যেতে পারে। এই প্রকৃতিতে হাবলু বাব্লুর দরকার কী? জন্মের প্রক্রিয়ায় পুরুষকে কাজে লাগাতে হবে। তাদের গৃহস্থালী কাজ ও সন্তান লালন পালনের ভার দিতে হবে। রোজগারের কাজ থেকে পুরুষের মোটামোটি মুক্তি প্রয়োজন। তা না হলে প্রকৃতিতে পুরুষের আর কোনো ভূমিকা থাকবে না। প্রয়োজন থাকবে না। কানে নারী উদোম গায়ে প্রতিবাদ করেছেন শরীরী ভাষায়। এই প্রতিবাদেও পুরুষ যৌনতাই খুঁজবে। অথবা শেমিং। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়