শিরোনাম
◈ হেনোলাক্স গ্রুপের মালিক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ◈ ‘কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে রাঘব বোয়ালদের ক্ষেত্রে ইসি আইন প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে’ ◈ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার দুই হাতের রগ কর্তন ◈ ‘শিগগিরই সরকারের দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরবে বিএনপি’ ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার, ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শপথ নিলেন কুমিল্লা সিটি নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা ◈ কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ◈ নাইকো মামলায় খালেদার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো ◈ ‘গাজী আনিসের শরীরে আগুন ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ ◈ ‘নূপুর শর্মাকে গ্রেফতার করা উচিত, কারণ উনি আগুন নিয়ে খেলতে পারেন না’, বললেন মমতা

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২২, ০১:২০ রাত
আপডেট : ২৩ মে, ২০২২, ০১:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুর্বল পরিচালনা, হতাশা ও যা ছিলো জাতির প্রত্যাশা

জাহিদুর রহমান

জাহিদুর রহমান: জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক ‘গঁলরন: ঞযব গধশরহম ড়ভ ধ ঘধঃরড়হ’ এর ট্রেইলার দেখে সবার মতো আমিও হতাশ। তবে আমার মতে এই হতাশার কারণ দুর্বল পরিচালনা। কারণ মেকআপ-প্রসথেটিক, ভিএফএক্স এফেক্ট আর্টিস্ট, সিনেমাটোগ্রাফি, ডাবিং, সবই তার নিয়ন্ত্রণে। টেকোনিক্যাল ইমপ্রুভমেন্ট হবে বলেই হয়তো বিদেশি পরিচালক নেওয়া হয়েছিল, অথচ সেই দিকটাই দুর্বল হয়েছে। পরিচালক বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করেননি। সময় কিংবা খরচ বাঁচাতে গণহারে সস্তা সিজিআই ব্যবহার করেছেন। কয়েকটি অস্কার জয়ী বায়োপিকের পোস্টার দিলাম। অভিনয়ে দক্ষতার পাশাপাশি এ ধরণের ছবিতে প্রাকটিক্যাল মেকআপের কাজ কত গুরুত্বপূর্ণ সেটা কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন। সেই সাথে ‘কোনো শিল্পীর পক্ষেই বঙ্গবন্ধুর চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব না’, এই ধরনের তৈলাক্ত কথাবার্তাও অসার প্রমাণিত হবে।

এই ছবির অভিনয় শিল্পীরা যেদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে গিয়েছিল, সেদিন আরেফিন শুভকে আশপাশে দেখতে না পেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে উঠেন, ‘আমার বাবা কোথাও?’ শুভ সামনে আসলে তিনি বলেন, ভালো করার চেষ্টা করো। ‘একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে অনুপ্রেরণা আর কি হতে পারে? ট্রেইলারে মধ্যবয়সী বঙ্গবন্ধু হিসেবে শুভর ডায়ালগ, মেকআপ যে বেমানান লেগেছে সেটির দায় তার না, পরিচালকের। যারা শুভকে নিয়ে ট্রল করছেন, তারা তার প্রতি অবিচার করছেন। সে তার জীবনের সেরা পারফর্মেন্স দেখিয়েছে। এর আগে শুভ অন্য একটি সিনেমার জন্য কয়েক মাসের মধ্য মুটিয়ে যাওয়া শরীরকে সিক্স প্যাক বানিয়ে প্রমাণ করেছে যে, তার অন্তত ডেডিকেশন আছে।
ট্রেইলারে যে দুর্বলতাগুলো চোখে পড়েছে মূল ছবিতে তার কিছু কিছু অংশ মূল ছবিতে শুধরে নেওয়া সম্ভব। তাতে কিছুটা হলেই টেকনিক্যাল ইমপ্রুভমেন্ট হবে। টিকেট কেটে হলে যেয়ে যারা এই ছবিটি দেখবে, তাঁদের অধিকাংশের বঙ্গবন্ধুর সব ভিডিও ফুটেজ অসংখ্যবার দেখা। প্যান্টের ভিতরে শার্ট ইন করা বঙ্গবন্ধুকে এরা মেনে নিবে না। দ্বিতীয় ট্রেইলার দেখে আমরা যেন এটি যে একটা সিনেমার ট্রেইলার, টেলিফ্লিমের না সেটা যেন অন্তত বুঝতে পারি। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়