শিরোনাম
◈ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার দুই হাতের রগ কর্তন ◈ ‘শিগগিরই সরকারের দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরবে বিএনপি’ ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার, ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শপথ নিলেন কুমিল্লা সিটি নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা ◈ কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ◈ নাইকো মামলায় খালেদার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো ◈ ‘গাজী আনিসের শরীরে আগুন ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ ◈ ‘নূপুর শর্মাকে গ্রেফতার করা উচিত, কারণ উনি আগুন নিয়ে খেলতে পারেন না’, বললেন মমতা ◈ মোহাম্মদপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মা ও ছেলে দগ্ধ ◈ চীনে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত জাহাজ, ১২ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২২, ১২:৫০ রাত
আপডেট : ২৩ মে, ২০২২, ১১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সভ্যতার কোন স্তরে, কোন স্ট্যান্ডার্ডে আছি আমরা?

মারুফ কামাল খান

মারুফ কামাল খান: দৈহিক গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসা ও পরীক্ষাধীন রয়েছি আমি। জটিল শৈল্য চিকিৎসার জন্যও অপেক্ষমান। এ অবস্থায় অন্যান্য দিকে মনোনিবেশ করা সত্যি কঠিন। এর মধ্যেই নজরে এলো একটা খবর। এটা কি আদপেই কোনো খবর? কোনো রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় বক্তব্য? সভ্যতার কোন স্তরে,  কোন স্ট্যান্ডার্ডে আছি আমরা? রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে যে কেউ বসতে পারেন না। রুচিবোধ, শালীনতা ও মানসিক সুস্থতা ছাড়া এ পদে বসা যায় না। কিন্তু সে শর্ত কি এখন আমাদের রাষ্ট্র পূরণ করছে? বর্তমান শাসনব্যবস্থার বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে এবং হিংস্রতা নিয়ে আছে এন্তার অভিযোগ। কিন্তু সর্বোচ্চ শাসকের উক্তিতে প্রতিফলিত এ কোন মানসিক অবস্থা? একসময় দেশের সর্বোচ্চ আদালত ‘রং হেডেড’ বলে একটা পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করেছিল। আমরা সে পুরনো কথা ভুলেও গেছিলাম। আজ তীক্ষ্ন যে প্রশ্নটি কাঁটার মতো মনকে বিদ্ধ করছে সেটা হলো: আমরা কী মানসিক বিকারগ্রস্তের শাসনে রয়েছি?

আমি নিজেকে রাষ্ট্রীয় প্রতিহিংসার অসহায় শিকার একজন ক্ষুদ্র মানুষ বলে মনে করি। রোগ, শোক, অনটন ও আরও অনেক সমস্যায় জর্জরিত এবং অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি দাঁড়ানো একজন মানুষ হলেও আমার নিজের মানসিক সুস্থতা ও ভারসাম্য এখনো অটুট আছে বলেই বিশ্বাস করি। কিন্তু এখন তো এসব দেখে শুনে মানসিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়ছি। এ থেকে জাতির নিস্তার কবে? কীভাবে? নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে পদ্মায় চুবাতে বললেও তিনি যেন তাতে না মরেন সে ব্যাপারে শেখ হাসিনা তার মন্তব্যে সতর্ক ছিলেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়াকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত। এ কথায় তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তার মৃত্যুই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়। এটা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিশ্বরীর তরফ থেকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের কুৎসিত হুমকির সমতুল্য। তার এ কথা প্রত্যাহার ও ক্ষমা প্রার্থনার মতো অবাস্তব দাবি করা হবে অমূলক।

এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা বা বিচার চাওয়ার সুযোগও হলেও দেশে সম্পূর্ণ রহিত। প্রতিবাদে-প্রতিরোধেও প্রতিকারের সময় এটা নয়। বরং একটি ক্রোধোন্মত্ত সময় ও প্রকৃতির বিচারের জন্য অপেক্ষা ছাড়া আর কোনো পথ আপাতত খোলা নেই। বিশ্বাসী একজন মানুষ হিসেবে আমি নিশ্চিত সে সময় অনিবার্যভাবে আসবেই, আসতেই হবে। একদিন দর্প চূর্ণ হবেই। তবুও মনটা খচখচ করছে, নিজের চোখে এর স্বাভাবিক পরিণাম ও পরিণতি দেখে যেতে পারবো তো? ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়