শিরোনাম
◈ ‘শিগগিরই সরকারের দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরবে বিএনপি’ ◈ বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার, ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শপথ নিলেন কুমিল্লা সিটি নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা ◈ কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ◈ নাইকো মামলায় খালেদার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছালো ◈ ‘গাজী আনিসের শরীরে আগুন ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ ◈ ‘নূপুর শর্মাকে গ্রেফতার করা উচিত, কারণ উনি আগুন নিয়ে খেলতে পারেন না’, বললেন মমতা ◈ মোহাম্মদপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মা ও ছেলে দগ্ধ ◈ চীনে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত জাহাজ, ১২ জনের প্রাণহানি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বন্দুক হামলা, নিহত ৬

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২২, ০৩:০২ রাত
আপডেট : ১৯ মে, ২০২২, ১০:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবনের শেষদিকে বিস্মরণ রোগে ভুগছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্কেজ

কুলদা রায়

কুলদা রায়: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ জীবনের শেষদিকে বিস্মরণ রোগে ভুগছিলেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন ধীরে ধীরে তিনি তার পুরনো দিনের কথা মনে করতে পারছেন না। তিনি বারবার এই ভুলে যাওয়ার কথা বলতেন তার স্ত্রী ও সন্তানদের। বলতেন, এই স্মৃতি নিয়েই আমার কাজকারবার। স্মৃতিই আমার লেখালেখির যন্ত্রপাতি আর কাঁচামাল। এটা ছাড়া আমি কোনো কাজ করতে পারি না। তবে কাউকে চিনতে না পারলেও তার স্ত্রীকে চিনতে পারতেন মার্কেজ। তবে শেষদিকে মাঝেমধ্যে তাকেও ভুলে যেতেন। তাকে একজন প্রতারক হিসেবে উল্লেখ করতেন। স্ত্রীকে দেখিয়ে বলতেন, এ মহিলাটি এখানে কেন? সে এখানে থেকে আদেশ করছে কেন? সে কেনো এই পরিবারের কর্তী? সে তো আমার কেউ না। এটা শুনে তার স্ত্রী প্রথমবার রেগে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তার হয়েছেটা কী? ভুলভাল বকছে কেন?

তার ছেলে রড্রিগো গার্সিয়া তাকে বুঝিয়ে বলেছিলেন, এটা তার দোষ নয়। ভুলে যাওয়া রোগের জন্য এরকম বলছেন। দুই ছেলেকে দেখতে পেলে অবাক বিস্ময়ে দীর্ঘ সময়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকতেন মার্কেজ। তার গৃহকর্মীকে জিজ্ঞেস করতেন, ও ঘরে ওরা কারা? আপনার ছেলে। গৃহকর্মী জবাব দিতেন। সত্যিই? ওই লোকগুলো? অদ্ভুত তো! একদিন তার সচিব দেখতে পেলেন মার্কেজ বাগানে দাঁড়িয়ে আছেন। একা। একেবারে ভাবলেশ শূণ্য। চিন্তাহীন। তার পুরু গোঁফ হালকা হাওয়ায় সামান্য নড়ছে। সচিব তাকে জিজ্ঞেস করল, এখানে আপনি কী করছেন মি: গ্যাব্রিয়েল?  কাঁদছি। উত্তর দিলেন মার্কেজ। কাঁদছেন? কিন্তু আপনার চোখ থেকে তো কোনো জল ঝরছে না। হ্যাঁ, আমি কাঁদছি। মার্কেজ উত্তর দিলেন, কাঁদছি চোখের জল ছাড়াই। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়