শিরোনাম
◈ গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার ◈ বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, হবে ৫টি ◈ ২৬ হাজার ১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ঘোষণা ◈ ‘সারাদেশে যে লোডশেডিং চলছে তা খুব বেশি দিন থাকবে না’ ◈ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করায় বিদেশিরা বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ পচেত্তিনোর বিদায়, পিএসজির নতুন কোচ গালতিয়ে ◈ ঈদে ফিলিস্তিনদের জন্য মসজিদুল আকসা খুলে দিচ্ছে ইসরায়েল ◈ ইয়েমেনের অস্ত্রাগারে বোমা হামলায় নিহত ৬ ◈ প্রভাবশালী ২ ব্রিটিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ, সঙ্কটে বরিস সরকার ◈ ট্রেনের টিকেট কালোবাজারি: আরএনবি'র ১২ সিপাহী বদলি

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২২, ০৮:৫৫ সকাল
আপডেট : ১৮ মে, ২০২২, ১২:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ব রাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা শেখ হাসিনা 

দীপক চৌধুরী

দীপক চৌধুরী : বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্মরণীয়  মাস এই  মে। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, আধুনিক-উন্নত  সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ছিল গতকাল মঙ্গলবার।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতে নরঘাতকরা ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। এসময় বিদেশে থাকায় রক্ষা পান  বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূ-লুণ্ঠিত করে বাঙালি জাতির অস্তিত্বকে বিপন্ন করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে ঘাতকগোষ্ঠী। বাঙালি জাতির জীবনে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে ঘোর অন্ধকার সেই ক্রান্তিলগ্নে ’৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। দেশমাতৃকার মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার পবিত্র দায়িত্ব অর্পণ করা হয় তাঁর ওপর।  

খুনি সামরিক জান্তা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে না দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কিন্তু জনগণ রুখে দেয় সবরকম ষড়যন্ত্র। 

বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে পাহাড় সমান বাঁধা জয়ের অনন্ত শক্তি ছিল এদেশের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও বিশ্বাস। 

অত্যন্ত মূল্যবান একটি কথা বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র বাক্সবন্দি থেকে মুক্ত হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এসেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪১ বছরের পথ চলায় সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের পাশে থেকেছেন এবং আছেন।” 

 ইতিহাস যদি আমরা ঘেঁটে দেখি তাহলেই পরিষ্কার হয়ে ওঠে কীভাবে আর কোন্ কৌশলে  বঙ্গবন্ধুর এই সোনার দেশকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীরা পুনরায় পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিল। 

গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে বুঝতে পারি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ’৮১ সালের ১৭ মে প্রিয় স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসন শেষে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। সেদিন রাজধানী ঢাকা মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টিও সেদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের মিছিলকে গতিরোধ করতে পারেনি। কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে। শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখতে সেদিন সারা বাংলাদেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। স্বাধীনতার অমর স্লোগান, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় বাংলার আকাশ-বাতাস। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলামÑপিতৃ হত্যার বদলা নেব’; ‘ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতেÑ আমরা আছি তোমার সাথে’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’। ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্রুতে অবগাহন করে শেরে বাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেল সকলকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস্তবায়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই, বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই।’  

দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধুহত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। 

দেশে  ফেরার পর সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর জীবন-মরণ সংগ্রাম। ষড়যন্ত্র, জেল-জুলম, অত্যাচার কোনো কিছুই তাঁকে তাঁর পথ থেকে টলাতে পারেনি।  এক বিন্দুÑ শত প্রতিকূলতাতেও হতোদ্যম হননি কখনো। মানুষের হারিয়ে যাওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করতে স্বৈরাচারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেছেন, আবির্ভূত হয়েছেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা রূপে। 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ যেদিকে তাকাবেন শুধু উন্নয়ন আর অগ্রগতি। গৃহহীন মানুষের ঘর পাচ্ছে। ভূমিহীনরা ঘর ও জমি পাচ্ছে।  বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে এখন। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তালাবিহীন ঝুঁড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। 

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সততা, মেধা, দক্ষতা ও গুণাবলিতে সমসাময়িক বিশে^র অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদ হিসেবে সারাবিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বিশ্ব রাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা- আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে পড়া  অসহায় জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে বিশ্বনন্দিত নেতা। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ন্যায় বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তখন এদেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করেছেন বহুমাত্রিক উদ্যোগ। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি অগাধ প্রেম এবং অক্ষয় ভালোবাসাই হলো তাঁর রাজনৈতিক শক্তি।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান কন্যা শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন  যে,   সততা, সাহস, দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বেই তিনি হয়ে উঠেছেন এ সময়কালের আলোর দিশারী 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি কিন্তু  দেখা যাচ্ছে  দেশরত্ন   শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে একের পর এক।  বিএনপিসহ সমমান দলগুলোর নেতারা যেভাবে একের পর এক মনগড়া কথা বা  অভিযোগ তুলছেন তা ক্রমেই হাস্যকর হিসেবে রূপান্তরিত হচ্ছে। টানা ১২  বছর  বা দীর্ঘ বছর ধরেই রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় অফিসে বসে বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম, রিজভীরা সরকার পরিবর্তনের হুমকি দিয়ে আসছেন। সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন অথচ  শেখ হাসিনার সরকার একের পর এক জাতীয় নির্বাচন করেই যাচ্ছে। সরকারও গঠন করে দেশ চালাচ্ছে। ফলে বিষয়টি জনগণের কাছে ‘মাকাল ফলের’ মতো হাস্যকর হিসেবে পরিণত হয়েছে। 

এটা তো সবাই জানেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্মরণে রয়েছে, তারেক রহমানের ভাই এবং খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর টাকা পাচারের ঘটনা সিঙ্গাপুরে উদঘাটিত হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান টাকা পাচার ও লোপাটের আরেক দণ্ডিত আসামী। তার টাকা পাচারের বিষয়ে এফবিআই এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। আর তাদের দল বিএনপির আমলে দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এটা কী অজানা বিএনপির? সারা দুনিয়া জানে এ কীর্তি। 

বিশ্বব্যাংকের পদ্মা সেতু  প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে টাকা দিলো না, বিএনপি নেতারা গর্জে উঠেছিলো। ভুয়া তথ্য উপস্থাপন করে তারা বলেছিল- দুর্নীতিবাজদের টাকা দেওয়া যাবে না।  কিন্তু কানাডার আদালতে বিশ্বব্যাংক হেরে গিয়ে প্রমাণিত হলো দুর্নীতি হয়নি। সারা দুনিয়া জানে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের টাকায় সেতু করার ঘোষণা দেয়ার পর বিএনপি নেতারা বললো কাজ শুরু করতে পারবে কিন্তু শেষ করতে পারবে না। কী রকম কথা?  খুবই হাস্যকর। লজ্জার! পদ্মা সেতুর কাজ প্রায় শেষে উদ্বোধনের অপেক্ষায়। আগামি জুন মাসে এটি উদ্বোধন হবে। 

দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি পাওয়া বাংলার জনগণ এখন দুঃশাসনের অতীত মনে করে নিজেদের পিঠ চাপড়ায়। তারা বুঝতে পারে,  বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ‘শেখ হাসিনা আমাদের কাছে একটি প্রস্ফুটিত ফুল। তিনি দেশে এসে আমাদের জাতিসত্ত্বাকে আলোকিত করেছেন, নিজের সৌরভ, চেতনা ও জ্ঞান দিয়ে আলোকিত করেছেন।  ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিচার হয়েছে। পৃথিবীর কয়েকটি  শক্তিধর দেশ বিচার বানচাল করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা  তাদের সেই সুযোগ দেননি। তিনি প্রধানমন্ত্রী বলেই দেশ আজ সমৃদ্ধির পথে।

লেখক : দীপক চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট  ও কথাসাহিত্যিক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়