শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২২, ০২:০১ রাত
আপডেট : ১৮ মে, ২০২২, ১০:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পি কে হালদার নয়, শিবশঙ্কর হালদারকে নিয়ে আগ্রহ দমিয়ে রাখতে পারছি না!

আলতাফ পারভেজ: পি কে হালদার সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হয়েছে, বলা হয়েছে। অনেক কিছু হয়তো ভালো করে পড়া ও দেখা হয়নি অতীতে। হয়তো ভুল করেছি। এখন প্রতিদিন যা শুনছি বা দেখছি তাতে অনেক প্রশ্ন জাগছে মনে। মনে হচ্ছে এটা গুরুত্বপূর্ণ এক আন্তঃদেশীয় ইস্যু।

আইনজীবী বন্ধুদের কাছে সেজন্য জানাবোঝায় হেল্প চাইছি। সর্বশেষ কিছু মিডিয়া আমাদের জানাচ্ছে, শিবশঙ্কর হালদার নামে ভদ্রলোকের ভারতীয় পাসপোর্ট, রেশন কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, স্থায়ী আধার কার্ড ইত্যাদি রয়েছে। তার মানে দাঁড়ায় ভারতীয় প্রশাসন ও আদালতের কাছে তিনি বহুদিনের পুরনো শিবশঙ্কর হালদার। পি কে হালদার নন। আমি কি ভুল অনুমান করছি?

অন্যদিকে, ঠিক একই সময় বিবরণ পড়ছি বাংলাদেশের কক্সবাজারে হোটেল প্রকল্পে, রাঙ্গামাটির রিসোর্টে, পূর্বাচল-নারায়ণগঞ্জ-ময়মনসিংয়ে জমিতে তাঁর ব্যাপক বিনিয়োগ আছে। এছাড়াও অনেক স্থানে ফ্লাট আছে এবং বিভিন্ন ব্যাংকেও বিপুল টাকা আছে। আদার ব্যাপারীদের জাহাজের খবর জানার আগ্রহের মতোই প্রশ্ন জাগছে মনে, বাংলাদেশের উপরোক্ত কথিত বিনিয়োগগুলো কি ভারতীয় নাগরিক ‘শিবশঙ্কর হালদার’-এর নামে? নাকি বাংলাদেশের ‘পি কে হালদারে’র নামে?

ভারতীয় নাগরিক শিবশঙ্কর হালদারের নামে হলে ব্যাপারটার প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক মানে একরকম দাঁড়ায়; আর পি কে হালদারের নামে হলে অন্য মানে দাঁড়ায়। সংবাদপত্রের সাধারণ পাঠক হিসেবে কিছুই জানি না আমরা এর। তবে এতো স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের দাবিকৃত পি কে হালদার ভারতের প্রশাসনে শিবশঙ্কর হালদার হলে তার গ্রেফতার পরবর্তী বিষয় সেখানে একভাবে এগোবে এবং তার সম্পদের অনুসন্ধানও সেই বিবেচনাকে অনুসরণ করবে।  টাকা বা ডলারের যাতায়াতের অভিমুখ সম্পর্কেও প্রচলিত ভাষ্যগুলো তখন কি বদলে যেতে পারে?

প্রশ্ন থাকলেও উত্তর জানা নেই। তবে আপাতত পি কে হালদার নয়, শিবশঙ্কর হালদারকে নিয়ে আগ্রহ দমিয়ে রাখতে পারছি না। কারণ মানি লনডারিং প্রতিরোধে এতো এতো কথা-বার্তা-কাজকর্মের পরও দক্ষিণ এশিয়ার এক দেশের পি কে হালদাররা অপর দেশে গিয়ে কীভাবে সহজে শিবশঙ্কর হালদার হয়ে পাসপোর্ট নিয়ে সম্পদ এদিক ওদিক করে বেড়াচ্ছেন, সেটা আলাপ-আলোচনা-অনুসন্ধানের জন্য জরুরি বিষয়ই বটে। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়