শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২২, ০১:২২ রাত
আপডেট : ১৮ মে, ২০২২, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১১৬ কেবল সংখ্যা নয়, একটি সাংকেতিক চিহ্ন!

মিরাজুল ইসলাম

মিরাজুল ইসলাম: ঢালাওভাবে ওয়াজ-মাহফিলের হুজুরদের দুদক ইস্যুতে ‘লাইমলাইটে’ আনার চিন্তাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ইচ্ছাকৃত। প্রকারান্তে এর ফায়দা তুলবে সত্যিকারের ভণ্ড হুজুরগণ, যারা গত কয়েক দশকে দেশজুড়ে ‘ইসলামফোবিয়া’র জন্য দায়ী। ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি একজন খাঁটি ঈমানদার ধর্মের নামে ব্যবসা করেন না। এখন ইউটিউব যুগে বিষয়টি সংজ্ঞায়িত করা জটিল ব্যাপার। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, বাংলাদেশে ‘ইসলামফোবিয়া’ বিস্তারের জন্য যে সকল কতিপয় ‘আলেম’ দায়ী উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণসহ তাদের চিহ্নিত করে প্রচলিত আইনে সোপর্দ করা জরুরি। 

এই মুহূর্তে সব ওলামা নিজস্ব অন্তর্দ্বন্দ্ব ভুলে একাত্ম হয়েছেন ‘ওইসব নাস্তিক-মুরতাদ’দের বিপক্ষে। তাই এখন আব্বাসী-তাহেরির এক সুর। এটাই তো স্বাভাবিক। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হাহাকারে ওই সব আলেমদের ‘তর্জন-গর্জন’ হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণ। তাঁদের শ্লোগান এখন ‘নবী-রাসুলের পরই আল্লাহর ওলী’Ñ ব্যাপারটা বুঝতে হবে। যে বা যারা এসব ইস্যু রচনা করেছেন তারা ভালোভাবেই জানেন ধর্মের নামে ফিৎনা সৃষ্টিকারী আলেমদের মিষ্টি জিহবা থেকে আমজনতাকে রক্ষা করা কঠিন ব্যাপার। তারপরও করেছেন। তবে যেদিন প্রথম আওয়ামী সরকারের তরফে ‘মদিনা সনদ’ শব্দটি উচ্চারিত হয়েছিলো, সেদিন আওয়ামী-সেক্যুলারগণ মানসিকভাবে বিব্রতবোধ করলেও ভোট এবং বিরোধী জোট ঠেকানোর অজুহাতে নিশ্চুপ ছিলেন। আজও থাকবেন। 

শাপলা চত্বর বিদ্রোহ দমনে কারো মাঝে ‘আত্মতুষ্টি’ যোগান দিলেও ঘটনাটির মাশুল গুণবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক বোঝাপড়া অগোচরে থেকে গেছে। যতোটুকু চোখে পড়েছে সে অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, এখন তুরিন আফরোজ প্রসঙ্গেও কেউ খুব একটা বুলন্দ আওয়াজ তুলবে না। অথচ যুদ্ধাপরাধী বিচার পর্বে তিনি কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন! ইতিহাসে প্রাচীন আমল থেকে ধর্মীয় পুরোহিতদের দুর্নীতির বিপক্ষে রাষ্ট্রক্ষমতা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। বরং কাউকে না কাউকে বলির পাঁঠা বানিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা নিজের প্রয়োজনে ধর্মের মান রক্ষা করেছে। এবারও কি তাই হবে? ম্যোরাল অব দ্য স্টোরি কী?  As a ring leader sometimes you have to whip your pet monkey, otherwise this monkey might screw you. লেখক ও চিকিৎসক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়