শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০২:০০ রাত
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২২, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খাদ্যপণ্যে ভর্তুকির ব্যবস্থা করা দরকার

আজম খান

আজম খান: আমি খাদ্য, চিকিৎসার মতন মৌলিক অধিকার এমন যেকোনো কিছু ছাড়া বাদবাকি জায়গায় ভর্তুকি দেওয়ার বিপক্ষে। হ্যাঁ, কোনো বিকাশমান শিল্প খাতে ভর্তুকিসহ নানা ইনসেনটিভ দেওয়া যাইতে পারে। তবে সেইটা অর্থনীতিতে কতগুলো চাকরি তৈরি করবে, অর্থনীতিতে কতটা ভ্যালু যোগ করবে সে হিসাব কষে, নিশ্চিত হয়ে দেওয়ার পক্ষে। নইলে গরিবের ট্যাক্সের টাকা যাবে ধনীর প্রাইভেট কার চালাইতে, বিলাসিতার যোগানের ভর্তুকি দিতে। এইটা কখনো হওয়া উচিত না। বেশির ভাগ উন্নত দেশে উল্টা যার আছে তার থেকে বেশি ট্যাক্স নিয়ে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সহ নানা খাতের মাধ্যমে গরিবরে দেওয়া হয়। 

কিন্তু বাংলাদেশ, পাকিস্তানের মতন দেশগুলাতে উল্টা। ধনীর স্বার্থ দেখতেই সময় চলে যায় গরিবের স্বার্থ দেখবে কখন। পাকিস্তান যুগের পর যুগ তেল-গ্যাসে মাত্রাতিরিক্ত ভর্তুকি দিয়ে এখন আর পারতেছে না। দেউলিয়া হবার দশা। বাংলাদেশও বহুদিন ধরে দিয়ে আসছে। তবে ভর্তুকির পরিমাণ পাকিস্তানের তুলনায় কম ছিল। এখন আর পারতেছে না। পারার কোনো কারণও নাই। ধনী দেশের বহু লোকও এখন গাড়ি গ্যারেজে রেখে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে চলতেছে। সমস্যা হচ্ছে আমাদের সরকার পাবলিক ট্রান্সপোর্টকে কোনোভাবে একটা নিয়ম বা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারে নাই। এইটা একটা অজনপ্রিয় কথা। তবে আমার মতে তেল-গ্যাসে ভর্তুকি বন্ধ করা একটা ভালো কাজ হইছে। অন্তত সাময়িকভাবে। এখন খাদ্যপণ্যে ভর্তুকির ব্যবস্থা করে পণ্য কীভাবে সরকার মানুষের হাতে হাতে দিবে সে ব্যবস্থা সরকারের করা উচিত। 

দাম বাড়ানোর চাইতেও বড় সমস্যা অন্য জায়গায়। এ ধরনের সংকটে কোন দেশের কোন সরকার জনগণের সাথে তথ্যের লুকোচুরি করে সামাল দিতে পারে নাই। এসব সময়ে সরকার-জনগণ সবাইকে একই নৌকায় উঠতে হয় যেখানে তথ্যের স্পষ্টতা এবং স্বচ্ছতা দুটোই থাকতে হয়। ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিস মোকাবেলায় যে কোন সরকারের জন্য এইটা প্রাথমিক করণীয়। এখানে ব্যর্থ হলে বিপর্যয় প্রায় অবশ্যসম্ভাবী। ডিয়ার গভর্নমেন্ট, ইউ মাইট নট লাইক মি। বাট ইউ নিড টু গেট এভরিওয়ান অনবোর্ড ফ্রম দিস ভেরি মোমেন্ট। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়