শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২২, ০১:০১ রাত
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২২, ০১:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহাসড়কে মোটরসাইকেলে কড়াকড়ি নয়, খুলে দিন সকল দুয়ার

রবিউল আলম

রবিউল আলম: পদ্মা সেতু জাতীয় স্থাপনা, বাঙালি জাতির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বিশ^কে চমক দেখিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ^ ব্যাংক বা বিশ্ব ষড়যন্ত্রও আটকাতে পারেনি বাঙালির আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ। পৃথিবী সৃষ্টিলগ্ন থেকে ষড়যন্ত্র সৃষ্টি হয়েছে, চলছে আজ পর্যন্ত। সুশাসন প্রমাণ করার জন্য দুঃশাসনের স্বপ্নভঙ্গ করতে হয়। অপরাধী আছে বলেই তো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। শেখ হাসিনার প্রশাসন জঙ্গিদমন, যুদ্ধাপরাধী বা ১৫ বা ২১ আগস্টের অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের মাধ্যমে নির্মূল করার কাজ শতভাগ না হলেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত। গুটিকয়েক নাট-বল্টু ওয়ালার অপরাধের জন্য বাঙালি জাতির মনের দুয়ার বন্দি করার প্রয়োজন নেই। 

বন্ধ করার প্রয়োজন নেই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দুয়ার। এতে স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। স্বপ্ন দেখিয়েছেন জাতির পিতা, স্বপ্নকে বাস্তব রূপে জাতির সামনে এনেছেন তারই কন্যা শেখ হাসিনা, এই স্বপ্নভঙ্গের কারণ হতে পারে না প্রশাসন। বাংলাদেশ জাতিসংঘে বিশ^শান্তির প্রতীক। পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু বা কতিপয় টিকটকারের কাছে পরাজিত হতে পারে না। গুটিকয়েক অপরাধী জন্য বৃহত জনগোষ্ঠীকে শাস্তির আওতায় দীর্ঘদিন রাখাও ঠিক হবে না। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুশাসনে মোটরসাইকেল এখন বৃহৎ শিক্ষিত ও শিক্ষার্থীদের অবসর সময়ের কর্মসংস্থানের বাহক। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও গ্রামের সেতু বন্ধন সৃষ্টি করেছে মোটরসাইকেল। ফরিদপুরের লক্ষ মানুষকে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিলো ঢাকায় অফিস করেও গ্রামের থাকা ও গ্রামের স্বাদ নিতে পারবেন পদ্মা সেতুর জন্য। মোটরসাইকেল ছাড়া কি স্বপ্নপূরণের আর বিকল্প আছে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেখানো স্বপ্নভঙ্গের কারণ প্রশাসনের ব্যর্থতা, ষড়যন্ত্রকারীরা, নাটবল্টু ও টিকটকওলাদের ফাজলামো হতে পারে না। খালেদা জিয়ার দুঃশাসন না দেখলে, শেখ হাসিনার সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা জাতি অনুভবই করতে পারতো না। দে দে সেতু খুইল দে, ও তুই হেলা করিছ না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া। লেখক: মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

  • সর্বশেষ