শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৬ জুলাই, ২০২২, ১২:৩৪ রাত
আপডেট : ০৬ জুলাই, ২০২২, ১২:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাম্প্রদায়িক মানসিকতা সৃষ্টি হয় পারিবারিক শিক্ষার অভাবে

আবদুল্লাহ হারুন জুয়েল

আবদুল্লাহ হারুন জুয়েল: অসভ্য দেশের তালিকায় যদি বাংলাদেশের নাম সবার আগে আসে, তাহলে মোটেই অবাক হবো না! ইবলিয়াসসহ  বিএনপি-জামায়াতের জন্মসূত্রে গুজবীরা একটি প্রচারণা চালাচ্ছে যেখানে ১৭ জন সরকারি কর্মকর্তাকে হিন্দু হিসেবে উল্লেখ করে বলা হচ্ছে: ‘একটি মুসলিমপ্রধান দেশের শিক্ষাব্যবস্থা কাদের হাতে চিন্তা করা যায়? এরা শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি ইসলামকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।’
প্রচারণার পোস্টমর্টেম: ১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. মুহিবুর রহমান। ২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব মোসা: নাজমা আখতার। ৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. ওমর ফারুক।

৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. সামসুন নাহার। ৫.সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) এ ‘বিশেষজ্ঞ’ বলে কোনো পদ নেই। ৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ রবিউল আলম। ৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর আবদুল আলীম। ৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ আবুল খায়ের। ৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান প্রফেসর মো. ফরহাদুল ইসলাম। ১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. আমিরুল ইসলাম। ১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব পদে একজনও হিন্দু ব্যক্তি নেই। ১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পদে একজনও হিন্দু ব্যক্তি নেই। ১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পদে কোনো হিন্দু ব্যক্তি নেই। ১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান বলে কোনো পদ নেই। ১৫. শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে একজনও হিন্দু ব্যক্তি নেই। ১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে কোনো হিন্দু ব্যক্তি নেই। ১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিন্দু নন।

তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি তাদের দেওয়া তথ্য সঠিক। তাহলে সমস্যা কোথায়? হিন্দুরা কি চাকরি করতে পারবে না? বাংলাদেশের চাকরি কি ধর্মকেন্দ্রিক? মুসলিম ছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীদের কি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাতিল করতে হবে? মানুষের মানসিকতা ও চিন্তাভাবনা এত নীচুস্তরের কিভাবে হয় ভেবে পাই না! এজন্য দায়ী গুজবীদের পরিবার। সাম্প্রদায়িক মানসিকতা সৃষ্টি হয় পারিবারিক শিক্ষার অভাবে। এ জাতীয় প্রচারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়