শিরোনাম

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২২, ০১:১৭ রাত
আপডেট : ৩০ জুন, ২০২২, ০১:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাঠ্যবই থেকে হেফাজতের চাপে সরিয়ে নেওয়া লেখকদের লেখা ফেরত আনা উচিত

অমি রহমান পিয়াল

অমি রহমান পিয়াল: সত্যিকার শিক্ষিত মানুষ ধর্মান্ধ হয় না। পাঠ্যবইয়ে যে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় পড়বে, রবীন্দ্রনাথ পড়বে, তার মাথায় শুরুতেই ঢুকে যাবে জ্ঞান কখনও ধর্মপ্রভাবিত হইতে পারে না। বিধর্মী মানুষের কাছেও শেখার আছে। সে যখন বিধর্মী শিক্ষক পাবে, সে নিশ্চিত হবে বিদ্যাপাঠ ধর্ম নিরপেক্ষ। এই বেসিক ব্যাপারটা প্রোথিত হওয়ার পর সে উদার মানসিকতায় জ্ঞানী হইতে থাকবে, পরিণত হইতে থাকবে। এইটা ঠেকাইতেই ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর আঘাত শুরু। পাঠ্যপুস্তক থেকে বিধর্মী লেখকদের লেখা বাদ দেওয়ায় সফল হওয়ার পর এখন শুরু হইছে সনাতনী শিক্ষকদের উপর আক্রমণ, তাদের হেনস্থা ও অপমান। 

মাদ্রাসায় শিক্ষিত মূর্খদের যদি সমাজে আধিপত্য করা লাগে, খোদা ও রাসুলের ভয় দেখায়া মানুষরে প্রভাবিত করা লাগে তাইলে সত্যিকার শিক্ষিত মার্কেটে রাখা যাবে না। রাখতে হবে মুরুক্ষ শিক্ষিত, যারা মাস্টার্স সার্টিফিকেট নিয়াও সাঈদীরে চান্দে দেখার কথা বিশ্বাস করবে। এই ভোক্তাশ্রেণি তৈরিতে বাদ সাধতে হইলে সবার আগে সরকারের উচিত হবে নোটবই নিষিদ্ধ করা। গাইডবই নিষিদ্ধ করা। পাঠ্যবই থেকে হেফাজতের চাপে সরাইয়া নেওয়া লেখকদের লেখা ফেরত আনা। কয়েকটা জেনারেশন উচ্ছন্ন গেছে, সামনেরগুলারে আর পানিতে ফেইলেন না। শিক্ষার মান বুঝতে বেশি কিছু লাগে না আজকাল। পায় না যখন পাই না, চায় না যখন চাই নাÑ তখনই নাউজুবিল্লাহ বইলা শিক্ষা সংস্কারে উদ্যোগী হওয়া উচিত। লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। ফেসবুক থেকে  

  • সর্বশেষ